Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নয়তো এতক্ষণে রেলিগেশন ঠেকানোর প্রস্তুতি নিত কেকেআর TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্যক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের নববর্ষের 'শুভনন্দন'-এও মুখ্যমন্ত্রীর SIR তোপ! বাংলায় পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল

শান্তিপুরে ভাগীরথীতে ভাঙন, সাতটি বাড়ি নদী গর্ভে, আতঙ্কে বাসিন্দারা

দ্য ওয়াল ব্যুরো, নদিয়াঃ কথায় বলে নদীর এপাড় ভাঙে, ওপাড় গড়ে। আর ভাগীরথী নদীতে ভাঙন তো নিত্য ঘটনা। বিশেষ করে বর্ষাকালে ভাগীরথীর রূপ অনেকটাই ভয়ঙ্কর হয়ে যায়। মুর্শিদাবাদ, নদিয়া জেলার মানুষদের তা জানা। কিন্তু দুর্গাপুজোর মুখে ভাগীরথীতে ভাঙন শুরু

শান্তিপুরে ভাগীরথীতে ভাঙন, সাতটি বাড়ি নদী গর্ভে, আতঙ্কে বাসিন্দারা

শেষ আপডেট: 4 October 2020 05:31

দ্য ওয়াল ব্যুরো, নদিয়াঃ কথায় বলে নদীর এপাড় ভাঙে, ওপাড় গড়ে। আর ভাগীরথী নদীতে ভাঙন তো নিত্য ঘটনা। বিশেষ করে বর্ষাকালে ভাগীরথীর রূপ অনেকটাই ভয়ঙ্কর হয়ে যায়। মুর্শিদাবাদ, নদিয়া জেলার মানুষদের তা জানা। কিন্তু দুর্গাপুজোর মুখে ভাগীরথীতে ভাঙন শুরু হওয়ায় রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন নদিয়ার শান্তিপুরে নদীর ধারে বসবাসকারী বাসিন্দারা। নদিয়ার শান্তিপুর পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের চর সাগর এলাকা গত দু’দিনে সাতটি বাড়ি তলিয়ে গেছে ভাগীরথীর গর্ভে। এর জেরেই আতঙ্কিত বাসন্দারা। অনেকে তো বাড়ি ছেড়ে জিনিসপত্র নিয়ে অন্য জায়গায় চলে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু সবার তো সেই সম্বলও নেই। তাই প্রাণ হাতে করেই বাস করতে হচ্ছে সেখানে। জানা গিয়েছে, গত দু’দিনে ওই এলাকার প্রায় আড়াই বিঘা জমি ভাগীরথীর গর্ভে চলে গিয়েছে। এই জায়গায় যে বাড়িগুলি ছিল সেগুলিও নিশ্চিহ্ন। সেইসঙ্গে গাছপালা থেকে শুরু করে সবকিছু নদী গর্ভে। প্রতি মুহূর্তে পার ভাঙছে। ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে নদী। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কিছুদিন আগেই ওই এলাকায় বিঘার পর বিঘা চাষের জমি ভাগীরথীর গর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। সেই সময়ই সেচ দফতরকে বলা হয়েছিল। কিন্তু সেরকম ব্যবস্থা না নেওয়ার ফলেই ফের এই সমস্যা শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁদের। অবশ্য নতুন করে ভাঙন শুরু হওয়ার পরে সেচ দফতরে ফের অভিযোগ করায় বালির বস্তা ফেলে ভাঙন রোধের কাজ শুরু হয়েছে। এভাবে ক্রমাগত ভাঙন চলতে থাকায় প্রশাসনকেই দায়ী করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, নির্বাচনের আগে জনপ্রতিনিধিরা প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান। তাঁরা বলেন, ক্ষমতায় এলেই স্থায়ীভাবে নদীর পাড় বাঁধিয়ে দেবেন তাঁরা। কিন্তু ভোট মিটে গেলে আর কারও দেখা পাওয়া যায় না। ফলে সমস্যায় পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। প্রশাসনকে বলেও কোনও সুরাহা হয় না। নতুন করে ফের ভাঙন শুরু হওয়া রাতের ঘুম উড়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। তাঁদের দাবি, এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হোক। শান্তিপুরের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য এই ঘটনার দায় আবার স্থানীয় মাটি পাচারকারীদের উপর চাপিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, কিছু অসাধু মানুষ রাতের অন্ধকারে ভাগীরথীর পাড়ের মাটি কেটে নিয়ে চলে যাচ্ছে। তার ফলে পাড় আলগা হয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন ব্যবস্থা নিয়েছে। কিন্তু তারপরেও একই কাজ হচ্ছে। প্রশাসন নজরদারি আরও বাড়ালে এই সমস্যা এতটা হবে না বলেই জানিয়েছেন তিনি।

```