
শেষ আপডেট: 20 July 2020 07:45
শুনশান গঙ্গার ঘাট[/caption]
এমন অনেক পূন্যার্থী আছেন যাঁরা প্রতিবছর শ্রাবন মাসে জল ঢালতে আসেন রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে। সেরকমই হলদিয়ার দিব্যেন্দু দাস। এবারও এসেছিলেন। তবে প্রতিবার যেমন পায়ে হেঁটে তাঁরা দল বেঁধে যান, এবার আর সেই সুযোগ নেই। তাই গাড়ি ভাড়া করে এসে, বৈদ্যবাটি নিমাইতীর্থ ঘাট থেকে জল তুলে লোকনাথের উদ্দেশে রওনা দেন।
বৈদ্যবাটি, শেওড়াফুলি থেকে তারকেশ্বর পর্যন্ত রাস্তায় কয়েক হাজার দোকান বসে এই সময়ে। ভাত রুটির হোটেল থেকে জল-সরব্ত ইত্যাদি। কিন্তু সেসব কিছুই নেই এবার। এই সময়ে বহু লোক বাঁক বিক্রি করে, ঘটে মাটিয়ে লাগিয়ে পয়সা উপার্জন করেন। এবার তাঁদের সেই রোজগারের জায়গাতেও ধাক্কা দিয়েছে নভেল করোনাভাইরাস।
বছরে দুটো মাস মূলত তারকেশ্বরে যাত্রীদের ভিড় থাকে। চৈত্র এবং শ্রাবণ। গত চৈত্রেও ব্যবসা মার খেয়েছে। কারণ তার আগেই ধর্মীয়স্থান বন্ধ হওয়া শুরু হয়। তারপর শুরু হয় কড়া লকডাউন। সেই সময়ে অনেকে আশা করেছিলেন, শ্রাবনের আগে বোধহয় সব মিটে যাবে। কিন্তু তা হয়নি।
আনলকের দ্বিতীয় পর্বে তারকেশ্বর মন্দির খুলেছিল বটে, কিন্তু মন্দির লাগোয়া এলাকায় বেশ কয়েকজনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ মেলায় ফের তা বন্ধ হয়ে যায়। সব মিলিয়ে যে শ্রাবণে হুগলির বিস্তীর্ণ এলাকায় কয়েক লক্ষ মানুষের সমাগম ঘটে, সেসব জায়গায় এখন শুধুই দীর্ঘশ্বাস।