দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আহ্বানে ‘জনতা কার্ফু’কে পূর্ণ সমর্থন জানাল ঝাড়গ্রাম। সকাল থেকেই রাস্তাঘাট খাঁ খাঁ করছে। সব দোকান বন্ধ। রাস্তায় লোক নেই বললেই চলে। এমনকি ঝাড়গ্রামের বিখ্যাত সবজি বাজারও ফাঁকা।
সূত্রের খবর, সকাল থেকেই পশ্চিমের এই জেলায় দেখা যাচ্ছে এই ছবি। রাস্তায় দু’একটা সাইকেল, মোটর সাইকেল ও পথচলতি কিছু মানুষ ছাড়া কেউ নেই। তাও যাঁরা রাস্তায় বেরিয়েছেন, তাঁরা বিশেষ কোনও প্রয়োজনেই বেরিয়েছেন। বেশিরভাগই বলছেন, কাজ সেরেই বাড়ি ঢুকে পড়বেন। রাস্তায় কোনও দোকানপাঠ খোলা নেই। ঝাড়গ্রামের বিখ্যাত সবজি বাজার, যা অন্যদিন ভিড়ে গিজগিজ করে তাও ফাঁকা। আসেননি কোনও বিক্রেতা।
জানা গিয়েছে, শহরের জুবলি মার্কেট, কোর্ট রোড, বাস স্ট্যান্ড, রেল স্টেশন-সহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে মানুষের দেখা নেই। যেন এক অঘোষিত বনধ পালন করা হচ্ছে। সবাই এর পক্ষে। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে মুদির দোকান, সব কিছুই বন্ধ। কেবল শহরে কয়েকটি ওষুধের দোকান খোলা রাখা হয়েছে।

শুধুমাত্র ঝাড়গ্রাম শহর নয়, ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর, নয়াগ্রাম, গিধনি, বেলপাহাড়ি, শিলদা, বিনপুর, কুলটিকরি-সহ প্রতিটা জায়গায় একই ছবি দেখা যাচ্ছে। রবিবার সকাল থেকেই চারদিক স্তব্ধ। গাড়ি ঘোড়া কিছুই চলছে না। ট্রেনের চাকাও বন্ধ।
এর মধ্যেই আবার ঝাড়গ্রাম রেল স্টেশন চত্বরে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে একটি ক্যাম্প বসানো হয়েছে। যদি সেখানে কেউ যান, তাহলে থার্মাল গানের মাধ্যমে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। সেই ক্যাম্পও রবিবার সকাল থেকে ফাঁকা। লোকজনের দেখা নেই বললেই চলে।
ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে করোনা ভাইরাসে চারজন আক্রান্ত হয়েছেন। কলকাতা ছাড়িয়ে জেলাতেও থাবা বসিয়েছে এই মহামারী। তাই এই পরিস্থিতিতে কেউ ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। আর সে জন্যই প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানের এমন বিপুল সাড়া ঝাড়গ্রামে।