দ্য ওয়াল ব্যুরো: হেল্পলাইনে ফোন করলেই বাড়িতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস ও ওষুধ পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে পূর্ব মেদিনীপুর এগরা পুরসভা। এই এলাকা থেকে চার জনের করোনাভাইরাস ধরা পড়ার পরে লোকজন যথেষ্ট শঙ্কিত। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে যখন দেশজুড়ে লকডাউন চলছে তখন এলাকার বাসিন্দাদের ঘরের থাকার ব্যাপারে সহায়তা করছে পুরসভা। এব্যাপারে এগিয়ে এসেছেন এলাকার যুবকরা।
এগরা থেকে যে চারজন নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গেছে তাঁরা সকলেই যে স্থানীয় বাসিন্দা এমন নয়। এর মধ্যে একজন কলকাতার নয়াবাদ থেকে এখানে এসেছিলেন। তাঁর মৃত্যুর খবর পাওয়ার পরেই এগরা পুরসভা করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া আটকাতে একটু বেশি মাত্রায় সতর্ক। তাই তারা হেল্পলাইন খুলেছে।
হেল্পলাইনে ফোন করলেই যাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জিনিস পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয় সেজন্য যুবকদের নিয়ে একটি দল গঠন করা হয়েছে। তাঁরা বাজার পর্যন্ত বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আসবেন। পুরসভা থেকে ইতিমধ্যেই বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে হেল্পলাইন নম্বর জানিয়ে দিয়ে এসেছে। মাইকে এব্যাপারে প্রচারও করেছে।
বাজারে যাতে ভিড় না হয় সে ব্যাপারেও উদ্যোগী হয়েছে এগরা পুরসভা। এগরা হাইস্কুলের মাঠে বৃহস্পতিবার থেকে বাজার বসানো শুরু হয়েছে।
কমিটির সদস্য সঞ্জয় দাস জানান যে তিনি দিনে জনা পঁচিশ লোকের বাজার করে দিচ্ছেন। কাঁচা আনাজের চেয়ে লোকে শস্য ও ডিম বেশি পরিমাণে কিনছেন এই সময়। প্রবীণ নাগরিক পূর্ণেন্দু দাস জানান যে তিনি ২২ মার্চের পরে বাড়ি থেকে বের হতে পারেননি। তাঁর ছেলে চেন্নাইয়ে থাকে। তিনি ওয়েবসাইট দেখে বাড়িতে এই ফোন নম্বর জানিয়ে দেন। লকডাউনের সময় বাড়িতে প্রয়োজনীয় ওষুধ পৌঁছে যাওয়ায় তাঁদের খুবই উপকার হয়েছে বলে জানান পূর্ণেন্দু দাস।