ফের সক্রিয় ইডি, তৃণমূল সাংসদ কেডি সিংহের বিপুল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নীরব মোদী, বিজয় মাল্যর পর এ বার ইডির নজরে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ কেডি সিংহ। তিনিও টাকা নিয়ে বিদেশে পালাতে পারেন, এমনই আশঙ্কা করছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আর তাই কেডি সিংহের ২৩৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি।
ইডি
শেষ আপডেট: 28 January 2019 12:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নীরব মোদী, বিজয় মাল্যর পর এ বার ইডির নজরে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ কেডি সিংহ। তিনিও টাকা নিয়ে বিদেশে পালাতে পারেন, এমনই আশঙ্কা করছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আর তাই কেডি সিংহের ২৩৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি।
ইডি সূত্রে খবর, এই সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে রিসর্ট, শো-রুম প্রভৃতি। অনেকগুলি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও ফ্রিজ করা হয়েছে এই সাংসদের। সম্প্রতি কেডি সিংহের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে সিকিওরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া ( সেবি )। আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত এই নজরদারি সংস্থা অভিযোগ করে, অ্যালকেমিস্ট গ্রুপের কর্ণধার কেডি সিংহ প্রায় ১০ কোটি ডলার বা ৭০০ কোটি টাকা বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা করছেন। এমনকী তিনি দেশ ছেড়ে পালানোর ছক কষছেন বলেও অভিযোগ করে সেবি।
আগে থেকেই এই সাংসদের বিরুদ্ধে নারদ চিট ফান্ড কেলেঙ্কারিতে যুক্ত থাকার অভিযোগে তদন্ত করছিল ইডি। এ বার সেবির তরফে অভিযোগ পেয়ে আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে তারা। তদন্ত শুরু হয়। ইডি সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই সাংসদের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। চণ্ডীগড়ের একটি শো-রুম ও হরিয়ানার একাকধিক সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সিমলার কুরফিতে কেডি সিংহের একটি রিসর্টও ইডি সিল করে দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যাতে কোনও ভাবেই তিনি আর্থিক লেনদেন করতে না পারেন, সে ব্যাপারে সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে ইডির তরফে।
প্রসঙ্গত, পাঞ্জাবের এই শিল্পপতি প্রথম ২০১০ সালে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ হন। কয়েক মাস পরে দল বদলে যোগ দেন তৃণমূলে। পরে তৃণমূলের টিকিটে বাংলা থেকে রাজ্যসভার সাংসদ হন তিনি। সাংসদ হওয়ার আগেও ২০০৯ সালে একবার তাঁর বাড়িতে আইকর হানা হয়েছিল। সেই হানায় প্রায় ২২ কোটি টাকার হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তির হদিশ পাওয়া গিয়েছিল।
ফের ২০১৩ সালের পর তাঁর নাম জড়ায় চিট ফান্ড কেলেঙ্কারিতে। অভিযোগ ওঠে, তাঁর সংস্থা অ্যালকেমিস্ট গ্রুপ বে-আইনি ভাবে বাজার থেকে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা তুলেছিল। নারদ স্টিং অপারেশনের জন্য ম্যাথু স্যামুয়েলকে ৮০ লক্ষ টাকা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল তৃণমূলের এই রাজ্যসভার সাংসদের বিরুদ্ধে।