দ্য ওয়াল ব্যুরো: বড়বাজার থানার আর্থিক দুর্নীতি মামলায় বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে যে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল ব্যাঙ্কশাল কোর্ট, বুধবার তা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ব্যাঙ্কশাল কোর্টের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের ওই নির্দেশ খারিজ করে দিয়েছেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার। গত সপ্তাহে এই মামলাতেই দিল্লি হাইকোর্টে স্বস্তি মিলেছিল মুকুলবাবুর। এ দিন স্বস্তি মিলল কলকাতা হাইকোর্টেও।
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে কল্যাণরাজ বলওয়ান নামের এক ব্যক্তিকে ৯০ লক্ষ টাকার বেশি নগদ-সহ গ্রেফতার করে বড়বাজার থানা। পুলিশ আদালতে জানিয়েছে, ধৃতকে জিজ্ঞেসাবাদ করেই মুকুল রায়ের নাম জানা যায়। তাঁর বিরুদ্ধে রুজু হয় প্রতারণা ও দূর্নীতির মামলা। ধারাবাহিক হাজিরা না দেওয়ায় ব্যাঙ্কশাল কোর্টের অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। নির্দেশ দেন একমাসের মধ্যে কার্যকর করতে হবে।
ব্যাঙ্কশাল আদালতের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মুকুলবাবু। আবেদন করেন, তিনি দিল্লির বাসিন্দা। তাঁকে যেন দিল্লিতে জেরা করে কলকাতা পুলিশ। গত শুক্রবার সেই মামলার শুনানি শেষে দিল্লি হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, দশ দিনের মধ্যে গ্রেফতার করা যাবে না মুকুল রায়কে। একই সঙ্গে দিল্লি হাইকোর্ট বলেছে, ওই কেসের তদন্তকারী অফিসার ইচ্ছে করলে মুকুলবাবুকে দিল্লিতে গিয়ে জেরা করতে পারেন। সেক্ষেত্রে মুকুলবাবুকে সহযোগিতা করতে হবে। এর মধ্যে মুকুলবাবু রক্ষাকবচের জন্য কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে পারেন। তারপরই কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেন মুকুলবাবু। এ দিন হাইকোর্টও দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশকেই কার্যকর করতে বলেছে কলকাতা পুলিশকে। অতয়েব, কলকাতা পুলিশ চাইলে মুকুলবাবুকে জেরা করতে পারে, তবে তা দিল্লিতে গিয়ে।