Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

অফিস চালু হতেই সমস্যায় বর্ধমান, বাইরের কর্মীরা আসতে পারছেন না শহরে, বাসিন্দারা যেতে পারছেন না কলকাতায়

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সত্তর শতাংশ সরকারি কর্মী নিয়ে অফিস চালু হতেই সমস্যায় বর্ধমান। এই শহরের অনেকে কলকাতায় চাকরি করতে যান আবার অন্য জায়গা থেকে অনেকে বর্ধমানে চাকরি করতে আসেন। সরকারি অফিস খুললেও লোকাল ট্রেন চালু হয়নি। পুরোদমে শুরু হয়নি বাস চলাচলও

অফিস চালু হতেই সমস্যায় বর্ধমান, বাইরের কর্মীরা আসতে পারছেন না শহরে, বাসিন্দারা যেতে পারছেন না কলকাতায়

শেষ আপডেট: 8 June 2020 12:15

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সত্তর শতাংশ সরকারি কর্মী নিয়ে অফিস চালু হতেই সমস্যায় বর্ধমান। এই শহরের অনেকে কলকাতায় চাকরি করতে যান আবার অন্য জায়গা থেকে অনেকে বর্ধমানে চাকরি করতে আসেন। সরকারি অফিস খুললেও লোকাল ট্রেন চালু হয়নি। পুরোদমে শুরু হয়নি বাস চলাচলও। তাই সমস্যা। ধাপে ধাপে লকডাউন শিথিল হওয়ার পরে শুরু হয়েছে আনলক পর্যায়। সোমবার ৮ জুন সরকারি অফিস খোলার প্রথম দিনেই সমস্যায় বর্ধমান শহর। বেসরকারি বাস নামেই চলছে, সংখ্যা হাতেগোনা। মাত্রই কয়েকটি রুটে চলছে। ফলে যাঁরা বর্ধমানে আসতে চাইছেন তাঁরা আসতে পারছেন না। যাঁরা এসে পড়েছেন তাঁদের ফিরতে সমস্যা হচ্ছে। আবার শহরের বাইরে কেউ কর্মস্থলে যেতে পারছেন না। কলকাতা করুণাময়ী রুটে কয়েকটি মাত্র বাস চললেও তাতে ভীষণ ভিড় হচ্ছে। টাউন সার্ভিস বা মিনিবাস অল্প সংখ্যায় চলছে। সেই পরিষেবাও কিছুক্ষণের মধ্যে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই কলকাতা ও সিউড়ি থেকে যাঁরা এসেছেন তাঁরা কী ভাবে ফিরবেন সেই চিন্তা করছেন। অর্থাৎ সরকারি কাজে যোগ দিতে এসে এখন দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কর্মীরা। এখন তাঁরা চাইছেন সরকারি অফিস যেমন খুলেছে তেমন ভাবে পরিবহণ ব্যবস্থাও চালু হোক পুরোদমে। সোজা কথায় সরকারি নির্দেশ মেনে কাজে যোগ দিতে এসে নাকাল হচ্ছেন কর্মীরা। তাঁরা চাইছেন যথেষ্ট সংখ্যায় পরিবহণের ব্যবস্থা করা হোক। সরকারি বাস তো বটেই, বেসরকারি বাসের সংখ্যাও বাড়ানো হোক। তা না হলেও এই হয়রানি চলতেই থাকবে।

```