দ্য ওয়াল ব্যুরো: লকডাউনে ঘরবন্দি হয়ে থেকে অনেকেই বিরক্ত। সময় যেন কাটছে না। আসছে আলসেমি। সেই সঙ্গে জুড়ে বসেছে একঘেয়েমি। এবার শিশু ও কিশোরদের একঘেয়েমি কাটাতে উদ্যোগী হলেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব। তিনি জানিয়েছেন নাচ, গান, আবৃত্তি কিংবা প্রবন্ধ প্রতিযোগিতায় যোগ দিয়ে এবার জিতে নেওয়া যাবে পুরস্কার। তাছাড়া করোনার উপরে রয়েছে একাধিক বিষয়।
উত্তরবঙ্গ সংস্কৃতি পরিষদের অর্থানুকূল্যে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হচ্ছে। লকডাউনে বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না এই প্রতিযোগিতায় যোগ দেওয়ার জন্য। স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় ঘরে বসে সময় কাটছে না যাদের সেই ছাত্রছাত্রীরাও এই প্রতিযোগিতায় যোগ দিতে পারবে। সফল প্রতিযোগীদের মিলবে বিশেষ পুরস্কার। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সেই পুরস্কার হয় অনুষ্ঠান করে নতুবা পরবর্তী পরিস্থিতির উপর বিবেচনা করে ঘরেও পৌঁছে যেতে পারে বলে পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন পর্যটনমন্ত্রী।
প্রতিযোগীরা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তো বটেই, হোয়াটসঅ্যাপ করে বা ই-মেলের মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় যোগ দিতে পারবে। পরবর্তী সময়ে সেখান থেকে বাছাই করে সফল প্রতিযোগীদের পুরস্কৃত করা হবে।
সাংবাদিক বৈঠকে পর্যটনমন্ত্রী জানান, উত্তরবঙ্গ সাংস্কৃতিক পরিষদের পক্ষ থেকে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে। মূলত শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদ, শিলিগুড়ি পুরনিগম ও ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি – এই তিনটি এলাকার ভিত্তিতে ভাগ করা হয়েছে এই প্রতিযোগিতা। থাকছে, রবীন্দ্র সঙ্গীত, রবীন্দ্র নৃত্য, বসে আঁকো প্রতিযোগিতা, আবৃত্তি, বিজ্ঞান ভিত্তিক মডেল নির্মাণ বিভাগ প্রভৃতি। পাশাপাশি করোনার উপরে রয়েছে বিষয়। প্রবন্ধ ও পত্র রচনায় যোগদানকারীদের ক্ষেত্রে লকডাউন উঠে যাওয়ার পরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে লেখা সংগ্রহ করবেন উদ্যোক্তারা।
পর্যটনমন্ত্রী বলেন, “লকডাউনে ঘরবন্দী শিশু থেকে সব বয়সী মানুষজন। বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীরা যাদের সকাল হলেই সময় কাটে স্কুলের সহপাঠীদের সঙ্গে পড়াশোনা করে ও বিকেলে খেলাধুলোর মধ্য দিয়ে তারাও এখন গৃহবন্দি। বর্তমানে তারা এই একঘেয়ে জীবনে অতিষ্ঠ। তাদের এই একঘেয়েমি কাটিয়ে একটুখানি আনন্দ দিতে এই উদ্যোগ।”
প্রতিযোগিতায় জন্য যে হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর রয়েছে তা হল: ৮১৪৫৭৯৪৯৯৭ এবং ৭৭৯৭২৩৭৭৭৭। অথবা ই-মেল করতে পারবেন goutamdebslg@gmail.com -এ।