দ্য ওয়াল ব্যুরো: গঙ্গারামপুর পুরসভায় তৃণমূলের প্রাক্তন চেয়ারম্যানকে প্রশাসক হিসাবে বসানোর প্রতিবাদে এবং বোর্ড অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বাতিলের দাবিতে সরব হল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সিপিএম। গঙ্গারামপুর পুর ভবনের বাইরে বাইরে তারা বিক্ষোভ দেখায়। তাদের দাবি, কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিকে নয়, সরকারি কোনও আধিকারিককে এই পদে বসানো হোক।
গঙ্গারামপুর পুরসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে প্রশাসক পদে বসানো হয়েছে সদ্যপ্রাক্তন পুরপ্রধান তৃণমূল কংগ্রেসের অমলেন্দু সরকারকে। তার প্রতিবাদে ও বোর্ড অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বাতিলের দাবিতে শুক্রবার গঙ্গারামপুর চৌপতি এলাকায় সিপিএম বিক্ষোভ দেখায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সিপিএম জেলা কমিটির সম্পাদক নারায়ণ বিশ্বাস ও অন্য বামফ্রন্ট নেতাকর্মীরা। এই বিক্ষোভে গুরুত্ব দিতে নারাজ গঙ্গারামপুর পুরসভার প্রশাসক অমলেন্দু সরকার। সিপিএমের বিক্ষোভ সমাবেশকে ‘লোক দেখানো’ বলে কটাক্ষ করে বলেন, “সামান্য একটি বিষয়কে নিয়ে রাজনীতি করার চেষ্টা করছে সিপিএম।”
এরাজ্যে দীর্ঘদিন ধরেই পুরভোট স্থগিত রয়েছে। কাজ চালানো হচ্ছে প্রশাসক দিয়ে। প্রথম থেকে এবই ব্যবস্থার বিরোধিতা করে এসেছে সিপিএম। এখন বোর্ড অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে সদ্য মেয়াদ শেষ হওয়া পুরবোর্ডের প্রধানকে। সেইমতো শিলিগুড়িতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিপিএম নেতা, প্রাক্তন পুরমন্ত্রী তথা বিদায়ী পুরপ্রধান অশোক ভট্টাচার্যকে। প্রথমে বোর্ডের অন্য সদস্যদের নিয়ে আপত্তি করলেও পরে তিনি সেই দায়িত্ব নিয়েছেন।
২০ মে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে ২১ মে থেকে গঙ্গারামপুর পুরসভা পরিচালিত হচ্ছে বোর্ড অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের অধীনে। পাঁচ জনের অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বোর্ড এই পুরসভা পরিচালনা করছে। তাতে অমলেন্দু সরকার ছাড়াও রয়েছেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা তৃণমূল জেলা সভাপতি অর্পিতা ঘোষ, গঙ্গারামপুরের বিধায়ক গৌতম দাস, প্রাক্তন উপ-পুরপ্রধান রাকেশ পণ্ডিত, গঙ্গারামপুর তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তথা ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অশোক বর্ধন।