দ্য ওয়াল ব্যুরো: নবান্ন অভিযানে গিয়ে পুলিশের লাঠির আঘাত খেয়েছিলেন কোতলপুরের ডিওয়াইএফআই নেতা মইদুল ইসলাম মিদ্যা। সোমবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এ জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে যখন কাঠগড়ায় তুলছেন বামেরা, তখন পাল্টা সিপিএমের ঘাড়েই দোষ চাপালেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়।
সুব্রতবাবু এদিন বলেন, ছাত্র যুব আন্দোলনে নেমে কারও মৃত্যু হলে তা অবশ্যই দুঃখজনক ঘটনা। তবে সিপিএম নবান্ন অভিযানটাই করেছিল মার খাওয়ানো বা মার খাওয়ার জন্য। ওরা জানত রাস্তায় নেমে আইন ভাঙলে, পুলিশের উদ্দেশে ঢিল ছুড়লে পাল্টা মার খাবে। সেটার জন্যই ওরা পরিকল্পনা করে এগিয়েছিল।
সুব্রতবাবুর কথায়, সিপিএমের ভোট এখন অনেকটা কমে গিয়েছে। কমতে কমতে ওরা প্রায় প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে ফেলছে। ওরা চাইছে সেই ভোট ফেরাতে। তাই বেপরোয়া হয়ে গেছে। আগে ঠিক যেভাবে ওরা প্ল্যান মাফিক মার খেয়ে বা খাইয়ে ক্ষমতায় এসেছিল। এখনও সেভাবেই ভোট ফেরাতে চাইছে। ওদের জন্যই একটা ছেলের প্রাণ গেল।
যদিও বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেছেন, “চাকরি চাইতে নেমে একতা তরতাজা যুবকের মৃত্যু অত্যন্ত মর্মান্তি ঘটনা। তিনি তো চাকরির দাবি মিছিলে গেছিলেন। কী অন্যায়? সে যে দলের ঝাণ্ডাই থাক না কেন, তাঁরও তো মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই।”