Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাংলায় করোনা আক্রান্ত ২৪ ঘণ্টায় বাড়ল ১৩, মোট সংখ্যা ১১৬, মৃত্যু এখনও ৫: কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলায় এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৬ জন! বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার আপডেটে এ কথাই জানাল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ওই আপডেটে বলা হয়েছে, এই ১১৬ জনের মধ্যে ১৬ জনকে সুস্থ করে বাড়ি পাঠানো হয়েছ

বাংলায় করোনা আক্রান্ত ২৪ ঘণ্টায় বাড়ল ১৩, মোট সংখ্যা ১১৬, মৃত্যু এখনও ৫: কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

শেষ আপডেট: 10 April 2020 05:11

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলায় এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৬ জন! বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার আপডেটে এ কথাই জানাল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ওই আপডেটে বলা হয়েছে, এই ১১৬ জনের মধ্যে ১৬ জনকে সুস্থ করে বাড়ি পাঠানো হয়েছে। মারা গিয়েছেন পাঁচ জন। অর্থাৎ তাদের হিসেব মতো বাংলায় এখনও ৯৫ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ অ্যাকটিভ রয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা বেড়েছে ১২। এই মুহূর্তে ৮০ জনের শরীরে সংক্রমণ অ্যাকটিভ রয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পরের দিন সকালেই কেন্দ্রের তথ্যে সংখ্যাটা প্রায় ১০০ ছুঁয়ে ফেলা দেখে অনেকেরই চিন্তা বেড়েছে।

এই সপ্তাহের গোড়ার দিকেই সাংবাদিক বৈঠকে বাংলায় সংক্রমণের গতিপ্রকৃতি নিয়ে ব্যাখ্যা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন, বাংলায় জনঘনত্ব অনেক বেশি। সেই অনুপাতে রাজ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কিন্তু এখনও তেমন ছড়ায়নি। একই পরিবারের মধ্যে একাধিক জনের আক্রান্ত হওয়া তারই পরিচায়ক।

যেমন কালিম্পংয়ে করোনাভাইরাসের সংক্রমণে যে মহিলার মৃত্যু হয়েছে, তাঁর থেকে তাঁর পরিবারের ১১ জনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর এ কথার অর্থ পরিষ্কার। অর্থাৎ সামাজিক ভাবে রাজ্যে সংক্রমণ এখনও ছড়ায়নি। তা ছড়িয়ে ক্লোজড গ্রুপের মধ্যে তথা একই পরিবারের মধ্যে।

তবে বারবারই প্রশ্ন উঠেছে, কেন্দ্রের পরিসংখ্যানের সঙ্গে রাজ্যের পরিসংখ্যানের দৃশ্যত ফারাক কেন হচ্ছে। দিন কয়েক আগে সর্বভারতীয় বিজেপি এবং রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব দলীয় তরফে অভিযোগ করেছেন, পশ্চিমবঙ্গে তথ্য গোপন করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে টুইটারে ধারাবাহিক কিছু পোস্টও করেছিলেন সর্বভারতীয় বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য।

এই অভিযোগ মানতে রাজি নয় রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই বলেছেন, “আমরা তো কেন্দ্রের তথ্য নিয়ে চ্যালেঞ্জ করিনি। আমরা যদি ওদের তথ্য বদলে দিই! এটা চ্যালেঞ্জের সময় নয়।”


```