শেষ আপডেট: 23 March 2020 05:44
করোনা সতর্কতায় প্রচার জলপাইগুড়িতে[/caption]
মেদিনীপুর জেলায় অবশ্য অন্য ছবি। রাস্তাঘাট স্বাভাবিক না বলে ভিড় বলাই ভাল। যাঁরা ভিনরাজ্য থেকে ফিরেছেন তাঁরা ঘরে ফেরার জন্য ভোর থেকে বাসস্ট্যান্ডে। অনেক বাসের ছাদেও লোক উঠতে দেখা গেছে। রাস্তায় টোটো চলছে অন্যদিনের মতোই। বিপদের সময়ে কোনও জিনিসই বাড়তি দামে বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বেশিরভাগ ব্যবসায়ী তবে অনেকে বাড়তি দু’পয়সা লাভের জন্য দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। বাজারে আনাজের চাহিদা বেশি থাকায় অনেকে বাড়তি দিতে চাইলেও আনাজ পাননি বলে শোনা যাচ্ছে। মেদিনীপুর শহর সকালে ছিল অন্যদিনের মতো স্বাভাবিক ও ব্যস্ত। বাজারগুলিতে বাড়তি ভিড় ছিল।
মালদার চিত্তরঞ্জন মার্কেট, নেতাজি মার্কেট, রথবাড়ি বাজার, মকদমপুর বাজার সহ বেশ কযেকটি বাজারে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। লোকজনকে মূলত সব্জি চাল ডাল ও আটা কিনতে দেখা গেছে। গাড়ি ঘোড়া চলছে খুবই কম। অধিকাংশ বড় বাজার বন্ধ থাকতে পারে তাই ছোট বাজারগুলিতে কিছু পাওয়া যাবে না বলে আশঙ্কা করছেন লোকজন। তাই তাড়াতাড়ি আনাজ কিনে নিতে চাইছেন। প্রতিটি আনাজের দামই কেজিপ্রতি পাঁচ থেকে দশ টাকা বেশি দামে বিক্রি হয়েছে সকাল থেকে। পাঁঠার মাংসের দাম বেড়েছে কেজিতে পঞ্চাশ টাকা। প্রতিটি মাছের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা।
পূর্ব বর্ধমানের কালনার চকবাজার বাজারে দাম সামান্য বেড়েছে। গাড়িঘোড়া অন্যদিনের তুলনায় কম। সবচেয়ে বেশি ভিড় দেখা গেছে বিভিন্ন বাজারে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকাল থেকেই প্রচার চলছে করোনাভাইরাস নিয়ে।
হাওড়ার কালীবাবুর বাজারে বেশ ভিড় ছিল। কদমতলা ও রামরাজাতলা বাজারেও তাই। কম হলেও এদিন সকাল থেকে বিভিন্ন রুটে বাস চলেছে। তবে বহু দোকানপাট বন্ধ ছিল। রাস্তায় টোটোর সংখ্যাও কম।
আজ বিকেল থেকে লকডাউন। তবে তার আগেই লোকজন বাড়িতে ঢুকে পড়তে চাইছেন।