Date : 16th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
বিরাট ঝড়ে লণ্ডভণ্ড লখনউ! রশিখ-ভুবনেশ্বরদের বোলিং দাপটে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আরসিবি‘লালা প্যাড’ ও ১০ টাকার নোটের কারসাজি! কয়লা পাচারের অভিনব কৌশলে পর্দাফাঁস ইডিরটাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় তারেক রহমান, কেন তাঁকে বাছল খ্যাতনামা মার্কিন সাময়িকী?West Bengal Election 2026 | ‘ভবানীপুরে কেন শুভেন্দু’, ‘ফাটকা’র ব্যাখ্যায় দিলীপ ঘোষ‘অন্যের ভোট কেউ দিয়ে দেবে, সেটা আর হবে না’, মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি সার্চ নিয়েও মুখ খুললেন সিইওবাংলা নববর্ষের সূচনায় তারেকের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে হাসিনা পুত্রের অভিযোগ, দেশ বিদেশি প্রভুদের দখলেপুলিশ তো বটেই, সরকারি গাড়িতেও এবার তল্লাশি হবে! অবাধ ভোটের লক্ষ্যে নজিরবিহীন নির্দেশিকা এডিজি-রWest Bengal Election 2026 | ভোটের আঁচে ফুটছে মেদিনীপুরকর্নাটকে 'পিরিয়ড লিভ' এবার বাধ্যতামূলক! গোটা রাজ্যেই ১ দিন বেতন-সহ ছুটির নির্দেশ হাইকোর্টের'জয় বাংলা' স্লোগান শুনে মেজাজ হারালেন শুভেন্দু, তেড়ে গেলেন! বালি থানার আইসি-কে হুঁশিয়ারি

লকডাউনের জেরে কেরলে আটকে স্বামী, হাঁড়ি চড়ানোই মুশকিল হচ্ছে হরিহরপাড়ার জুলেখা বিবির

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজমিস্ত্রীর কাজের জন্য ভিনরাজ্যে থাকেন মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার কেশাইপুর গ্রামের আশরাফুল শাহ। কাজের জন্য এই নিয়ে দ্বিতীয়বার তিনি গেছেন কেরলে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে দেশজোড়া লকডাউন চলায় এখন ফিরতেও পারছেন না আবার বাড়

লকডাউনের জেরে কেরলে আটকে স্বামী, হাঁড়ি চড়ানোই মুশকিল হচ্ছে হরিহরপাড়ার জুলেখা বিবির

শেষ আপডেট: 27 March 2020 07:11

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজমিস্ত্রীর কাজের জন্য ভিনরাজ্যে থাকেন মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার কেশাইপুর গ্রামের আশরাফুল শাহ। কাজের জন্য এই নিয়ে দ্বিতীয়বার তিনি গেছেন কেরলে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে দেশজোড়া লকডাউন চলায় এখন ফিরতেও পারছেন না আবার বাড়িতে টাকাও পাঠাতে পারছেন না। ফলে সমস্যায় পড়েছেন বাড়িতে থাকা স্ত্রী ও তিন কন্যা। আশরাফুলের স্ত্রী জুলেখা বিবি এখন তিন সন্তানকে আগলে নিয়ে বাড়িতেই বসে আছেন। হাতে টাকাপয়সা না থাকায় এখন তাঁদের করুণ অবস্থা। খাবার মতো চাল-ডাল পর্যন্ত নেই। তাই প্রতিবেশীদের বাড়ি থেকে চেয়ে-চিন্তে খাওয়া-দাওয়া করতে হচ্ছে তাঁদের। তাঁর বড় মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকা এবারে মাধ্যমিক দিয়েছেন। মেজ মেয়ে আশিয়া খাতুন সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী এবং ছোট মেয়ে খুশবু খাতুন পড়ে দ্বিতীয় শ্রেণীতে। আশিয়া খাতুনের কথায়, “আমাদের পড়াশোনা ও খাওয়া চালানোর জন্য কাজ নেই গ্রামে। জেলাতেও কাজ পায়নি বলে বাবাকে বাইরে যেতে হয়েছে। বাবাকে আর কাজে যেতে দেব না। বাবা তাড়াতাড়ি ফিরে আসুক।” জুলেখা বিবি বলেন, “আমাদের তিনটি মেয়ে রয়েছে। তাদের পড়াশোনার খরচ রয়েছে। এখানে রোজগার নেই বলে টাকার জন্য আমিই ওকে বাইরে পাঠিয়েছি। এখানে দিনে দুশো থেকে আড়াইশো টাকা রোজ তাও রোজ কাজ জোটে না। ওখানে ঠিকাদারের সঙ্গে গেছে। দিনে ছশো থেকে সাতশো টাকা রোজ। বাড়তি কাজ করলে দিনে আরও শ’দুয়েক টাকা বেশি রোজগার করা যায়। সেজন্যই ওখানে গেছে।” আয়েশা জানিয়েছেন যে কেরলে থাকার ব্যবস্থা করেন ঠিকাদারই। খাওয়ার জন্য দিনে ২৫-৩০ টাকা কেটে নেওয়া হয়। তাই বেশ কিছু টাকা জমে যায়। তাতে সংসারের সুরাহা হয়। এবার করোনার জেরে আচমকা লকডাউন হয়ে যাওয়াতেই সমস্যা শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আঠেরোটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখে অনুরোধ করেছেন যাতে তাঁরা সংশ্লিষ্ট রাজ্যে আটকে পড়া বাঙালি শ্রমিকদের সহায়তা করেন। তবে মুশকিলে পড়েছেন তাঁদের পরিবারের সদস্যরা।

```