Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

করোনা রুখতে পাহাড়বাসী চাইছিলেন লকডাউন তাই জিটিএর সিদ্ধান্তে তাঁরা খুশি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাহাড়ের মানুষ আগে থেকেই চাইছিলেন যে করোনা রুখতে পর্যটকদের জন্য শুধু নয়, পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হোক পাহাড়। তাই জিটিএর লকডাউনের সিদ্ধান্তে তাঁরা খুশি। নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট

করোনা রুখতে পাহাড়বাসী চাইছিলেন লকডাউন তাই জিটিএর সিদ্ধান্তে তাঁরা খুশি

শেষ আপডেট: 23 March 2020 03:36

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাহাড়ের মানুষ আগে থেকেই চাইছিলেন যে করোনা রুখতে পর্যটকদের জন্য শুধু নয়, পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হোক পাহাড়। তাই জিটিএর লকডাউনের সিদ্ধান্তে তাঁরা খুশি। নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিটিএ) পুরোপুরি লকডাউন করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন জিটিএ চেয়ারম্যান অনীত থাপা। আজ সকালে অল্প কয়েকটি দোকানপাট খুলেছে। লোকজন রসদ সংগ্রহ করছেন। ২০১৭ সালে টানা ১০৪ দিন বনধের অভিজ্ঞতা তাঁদের আছে। তাছাড়া এখন পাশে আছে সরকার ও প্রশাসন। তাই তাঁরা লকডাউনের জন্য প্রস্তুত। ইতিমধ্য়েই পাহাড়ের সব হোটেল খালি করে দেওয়া হয়েছে। ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে পর্যটকদের। জিটিএ এলাকার জরুরি পরিষেবা চালু থাকলেও লোকজন বাড়ি থেকে একেবারেই না বেরোনর সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। তাই আগামী চারদিন পাহাড়ের পথ একেবারে জনশূন্য থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। একটি বিবৃতিতে অনীত থাপা বলেছেন, সুরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসাবে দার্জিলিং শহর, কার্সিয়াং শহর, মিরিক ও কালিম্পং শহর পুরোপুরি বন্ধ (টোটাল লকডাউন) করে দেওয়া হচ্ছে। আজ ২৩ মার্চ বিকেল ৪টেয় সব লকডাউন করে দেওয়া হবে। এই অবস্থা জারি থাকবে ২৭ মার্চ পর্যন্ত। তবে এলাকার লোকজন সকালের মধ্যেই সব কাজ সেরে দুপুরের আগেই ঘরে ঢুকে পড়তে চাইছেন। তাই আজ দুপুর থেকেই পাহাড়ের অবস্থা লকডাউনের মতোই হবে। বিবৃতি জানানো হয়েছে যে ট্যাক্সি ও অটোরিকশা-সহ সব ধরনের গণপরিবহণ বন্ধ থাকবে। সব ধরনের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, অফিস, কারখানা, গুদাম প্রভৃতি বন্ধ থাকবে। স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী, যাঁরা বিদেশ থেকে ফিরছেন তাঁদের তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে এবং কঠোর ভাবে হোম কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে। তবে শোনা যাচ্ছে যে পাহাড়ের যে সব মানুষ বাইরে রয়েছেন তাঁরা আপাতত পাহাড়ে না ফেরার সিদ্ধান্তই নিয়েছেন। তাঁরা চাইছেন না কোনও ভাবে পাহাড়ে করোনার প্রভাব পড়ুক। আগেই সামাজিক দূরত্ব রাখার যে পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল তা মেনে চলতে হবে এবং লোকজনকে বাড়িতেই থাকতে হবে বলে জানিয়েছে জিটিএ। রাজ্য সরকারের মতো জিটিএ বেশ কয়েকটি ক্ষেত্র লকডাউনের বাইরে রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা, আদালত, জেল, স্বাস্থ্য পরিষেবা, পুলিশ, সশস্ত্র বাহিনী, আধাসামরিক বাহিনী, জল, বিদ্যুৎ, সাফাই পরিষেবা, টেলিকমিউনিকেশন, অসামরিক প্রতিরক্ষা, দমকল, ইন্টারনেট, তথ্যপ্রযুক্তি ও তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর শিল্প, ডাক পরিষেবা, ব্যাঙ্ক ও এটিএম, রেশন, মুদিখানা, সব্জিবাজার, ফল, মাংস, মাছ, পাঁউরুটি, দুধ, এসব সংরক্ষণ এবং এইসব জিনিসের পরিবহণ। ইকমার্সের মধ্যে শুধুমাত্র খোলা থাকছে মুদির দোকানে যে সব জিনিস পাওয়া যায় সেগুলি, খাবার এবং খাবারের হোম ডেলিভারি। পেট্রোলপাম্প, এলপিজি, তেল সংস্থা এদের গুদাম ও এইসব জিনিসের পরিবহণ। এছাড়াও খোলা থাকবে ওষুধের দোকান, চশমার দোকান, ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা ও এসব জিনিসের পরিবহণ। উৎপাদনসংস্থাকে কাজ চালিয়ে যেতে হলে জেলাশাসকরে অনুমতি নিয়ে তা করতে হবে। গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়া চালু থাকবে। জরুরি পণ্য উৎপাদন চালু থাকবে যথারীতি। কোথাও একসঙ্গে সাতজনের বেশি মানুষ একত্রিত হতে পারবেন না। কেউ নিয়ম ভাঙলে তাঁকে শাস্তির মুখে পড়তে হবে বলে জানিয়েছেন জিটিএ কর্তৃপক্ষ।

```