দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৃহস্পতিবারই জানা গিয়েছিল সঙ্কটের কথা। শুক্রবার পিয়ারলেস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানাল নয়াবাদের করোনা আক্রান্ত প্রৌঢ় গভীর সঙ্কটে রয়েছেন। তাঁর শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে গিয়েছে অনেকটা। কিডনিও কাজ করছে না। ফলে তাঁর মাল্টি অর্গ্যান ফেলইওরের আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা।
বুধবার গভীর রাতে জানা যায় কোভিড-১৯ পজিটিভ রেজাল্ট হয়েছে এই ব্যক্তির। ইনিই বাংলার দশম করোনা আক্রান্ত। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তাঁকে হাইড্রক্সি-ক্লোরোকুইন দিয়েছেন ডাক্তাররা। দেওয়া হয়েছে এইচআইভির ওষুধও। কিন্তু তাতেও তাঁর শারীরিক অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি। বরং শুক্রবার বিকেলের পর আরও অবনতি হয়।
এই ব্যক্তি কীভাবে করোনা সংক্রামিত হলেন তাই নিয়েও ধোঁয়াশা তৈরি হয়। প্রথমে জানা যায়, আক্রান্তের বিদেশে যাওয়া বা বিদেশ থেকে ফেরার কোনও অতীত নেই। তারপর জানা যায় এই ব্যক্তি পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায় গিয়েছিলেন তাঁর এক চিকিৎসক বন্ধুর মেয়ের বিয়েতে। সেখানে বেশ কয়েকজন মার্কিনি নিমন্ত্রিত ছিলেন। সেখানেই জ্বর আসে এই ব্যক্তির। ফিরে এসে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন। ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। তারপরই করোনা সংক্রমণের কথা জানা যায়।
এর আগে দমদমের করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু হয় মঙ্গলবার। বাংলায় এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে একজনেরই মৃত্যু হয়েছে। এদিন দশম আক্রান্তের অবস্থা অতি সঙ্কটজনক হওয়ার পর উদ্বেগ তাই আরও বেড়ে গেছে।
এই ব্যক্তির পরিবারের আরও চারজন ব্যক্তিকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছিল। কিন্তু শুক্রবারই তাঁদের বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করে নেওয়া হয়। তাঁদের লালারসের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে নাইসেডে। এর আগে ব্রিটেন ফেরত বালিগঞ্জের তরুণের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ার দিন চারেকের মধ্যে পরিবারের আরও তিনজনের পজিটিভ রেজাল্ট আসে।