
শেষ আপডেট: 29 June 2020 11:39
এদিন মিছিলের ফাঁকে অধীর চৌধুরী বলেন, “সারা ভারতের কংগ্রেস পার্টি সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকার দেশজুড়ে মানুষের জীবনকে যে ভাবে দুর্বিসহ করে তুলেছে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা হবে। প্রতিদিন পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে আমাদের আজকের এই প্রতিবাদ। প্রায় বাইশ দিন হতে চলল নিয়ম করে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বাড়ছে। লাগাতার গ্যাসের দামও বেড়ে চলেছে। সাধারণ মানুষের যখন রোজগার নেই, রুটি-রুজির সঙ্কট দেখা দিয়েছে, মানুষ কাজ হারিয়েছেন, লকডাউনে যখন বহু মানুষ সর্বস্বান্ত হয়ে গেছেন তখন এই অবস্থার মধ্যেও মোদী সরকার নির্দয় ভাবে মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের খরচ বাড়াচ্ছে।”
পরে তিনি ব্যাখ্যা করেন, চাষের জন্য কৃষকের ট্রাক্টর দরকার। তাতে জ্বালানি দরকার। অর্থাৎ কৃষির খরচ বেড়ে যাচ্ছে। যাতায়াতের জন্য ও জিনিস পরিবহণের জন্য তেল দরকার। পরিবহণ খরচ বেড়ে গেলে সব জিনিসের দাম বেড়ে যাবে। তিনি বলেন, “স্বাভাবিক ভাবেই সারা ভারত জুড়ে এই যে আর্থিক হাহাকার চলছে তার জন্য যদি কেউ দায়ী হয়ে থাকে সে হল দেশের বিজেপি সরকার। তাই তাদের বিরুদ্ধে ও এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ জানাতে আমরা আজ পথে নেমেছি।”
এখন অনেকগুলি রুটের বাসেই যাত্রী হচ্ছে না। বাস মালিকরা রাজ্য সরকারের থেকে ক্ষতিপূরণ পেয়েও বাস চালাতে রাজি হচ্ছেন না। এই অবস্থায় তেলের দাম বেড়ে গেলে বাস পথে নামানো নিয়ে সংশয় তৈরি হবে। বাস যখন পথে নামবে তখন ভাড়াও বেড়ে যেতে পারে অনেকটাই।