দ্য ওয়াল ব্যুরো: গতকাল ছিল চলতি মরসুমের শীতলতম দিন। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ১১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও তা ১১-র ঘরেই রয়েছে। তার ফলে বছরের শেষে জমিয়ে ব্যাট করছে শীত। শুধু কলকাতা তো বটেই জেলাতেও তাপমাত্রা কোথাও কোথাও ১০ ডিগ্রির নীচে নেমে গিয়েছে। এই শীতের আমেজেই নতুন বছরকে রাজ্যবাসী স্বাগত জানাবেন বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। এদিন শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৯ শতাংশ ও সর্বনিম্ন ৩৯ শতাংশ। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।
হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টা তাপমাত্রা একই রকমের থাকবে। মঙ্গলবার থেকে ফের একটু বাড়তে পারে তাপমাত্রা। তবে তা ১৫ ডিগ্রির মধ্যেই থাকবে। অর্থাৎ স্বাভাবিকের আশপাশেই ঘোরাফেরা করবে তাপমাত্রা। তার ফলে শীতের আমেজের মধ্যেই নতুন বছরকে স্বাগত জানাবেন রাজ্যবাসী, এমনটাই পূর্বাভাস আলিপুরের।
পুরুলিয়া, বীরভূম, দুই মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, ঝাড়গ্রামে বেশ কয়েক দিন ধরেই তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির আশপাশে। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, ঠান্ডা আরও জাঁকিয়ে পড়বে এই জেলাগুলিতে। দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলায় বেশ কয়েক দিন ধরে শৈত্যপ্রবাহ চলছে। সবথেকে কম তাপমাত্রা দার্জিলিংয়ে। ফলে ইতিমধ্যেই পাহাড়ে ভিড় করেছেন বহু পর্যটক। এমনিতেই বড়দিন ও বর্ষবরণ ঘিরে উৎসবের আমেজ। সেই আমেজ যেন এই ঠান্ডায় আরও কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ঘন কুয়াশার দাপট এখন কম। দিনকয়েক আগেও যেমন ভোর হলেই স্তরে স্তরে জড়িয়ে ধরছিল কুয়াশা, তা এখন অতটা নেই। দৃশ্যমানতা বেড়েছে। এখন ভোরের দিকে হাল্কা কুয়াশা থাকছে। তারপর পরিষ্কার ঝকঝকে আকাশ। কুয়াশা না থাকায় উত্তুরে হাওয়ার প্রবেশে কোনও বাধা হচ্ছে না। তার ফলে কমছে তাপমাত্রা। আগামী কিছুদিন একই রকমের পরিস্থিতি থাকবে। অর্থাৎ শীতের এই দাপুটে ব্যাটিং দেখা যাবে আরও কিছুদিন।