শেষ আপডেট: 14 November 2019 11:00
বৃহস্পতিবার একটি অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল এবং বিরোধী দলনেতা[/caption]
রাজ্যপালের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে গত তিন মাসে একাধিক ইস্যুতে সংঘাত হয়েছে রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান ও নবান্নের। সর্বশেষ স্বাস্থ্য ইস্যুতে রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন রাজ্যপাল। কয়েকদিন আগেই তিনি বলেছিলেন, “এখানে সব কিছু নিয়েই রাজনীতি হয়। সব কিছুকে ছাপিয়ে গিয়েছে রাজনীতিকরণ। স্বাস্থ্যকে তা থেকে বাদ রাখাই শ্রেয়।” তার পরের দিনই প্রথম রাজ্যপালের উদ্দেশে বিজেপির লোক বলেছিলেন মমতা। এক সপ্তাহে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন প্রশাসনিক প্রধান।
অর্জুন সিং-এর মাথা ফেটে যাওয়া, যাদবপুর বিশ্বাবিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে কেন্দ্রীয় পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় ঘেরাও থেকে দুর্গাপুজোর কার্নিভাল –একাধিক কাণ্ডে সমালোচনা করেছেন রাজ্যপাল। কিন্তু কালীপুজোর সন্ধেবেলা দিদির বাড়ির উঠোনে যেন অন্য ফ্রেম তৈরি হয়ে গিয়েছিল। সস্ত্রীক ধনকড় চলে গিয়েছিলেন মমতার বাড়ির কালীপুজোয়। তারপর অনেকেই বলেছিলেন, এবার হয়তো বরফ গলবে। আবার শাসক দলের অনেকে এও বলেছিলেন, এসব একেবারেই উপর উপর। ভিতর ভিতর কিছুই মেটেনি। কালীপুজোর একাধিক ঘটনায় দেখা যাচ্ছে দ্বিতীয় আশঙ্কাটাই সত্যি হচ্ছে। এতদিন রাজ্যপাল একা বলছিলেন। এবার পাল্টা বলা শুরু করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রীও।
যদিও মুখ্যমন্ত্রীর এদিনের এই মন্তব্য নিয়ে বিজেপির এক নেতা বলেন, “এই জন্যই আমরা বলি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিপিএমের মেধাবী ছাত্রী। সিপিএম জমানায় ওরাও তৎকালীন রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধীকে তৃণমূলের লোক বলত। এখন তৃণমূলও এই রাজ্যপালকে বিজেপির লোক বলছে। আসলে ওরা সাংবিধানিক পদের মর্যাদাটাই বোঝে না।”