দ্য ওয়াল ব্যুরো: পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের মাহাতায় ১০০ দিনের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল খোদ পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে ভাতারের বিডিওর কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন পঞ্চায়েতের এক সদস্য।
মাহাতা গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝাড়ুল গ্রামে তিনদিন আগে একশো দিনের কাজ শুরু হয়েছে। ওই গ্রামের কয়েক জন বাসিন্দার অভিযোগ, গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কমলা মাঝি এবং পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ নিখিল মাঝি বেশ কয়েক জন শ্রমিককে একশো দিনের কাজ করার ব্যাপারে বাধা দিচ্ছেন।
কাজ করতে না পেরে গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য রেজিনা বিবির কাছে সমস্যার কথা জানান এলাকার লোকজন। তখন পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে কাজে বাধা দেওয়ার ব্যাপারে জানতে চান রেজিনা বিবি। এর কোনও কারণ পঞ্চায়েত প্রধান বলতে পারেননি বলে দাবি রেজিনার। এব্যাপারে তিনি সোমবার ভাতারের বিডিও শুভ্র চট্টোপাধ্যায়ের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।
পঞ্চায়েত প্রধান কমলা মাঝি জানিয়েছেন ওই নির্দিষ্ট কাজের ব্যাপারে যাঁদের নাম ছিল না তাঁদের কাজ করতে দেওয়া হয়নি। তবে অন্য কথা বলছেন স্থানীয় তৃণমূল কর্মী মিলন শেখ। তিনি বলেন, তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জন্যই এলাকার প্রভাবশালী নেতা নিখিল মাঝি তাঁদের কাজে বাধা দিচ্ছেন। একই অভিযোগ পঞ্চায়েত সদস্য বাসুদেব যশেরও। নিখিল মাঝির সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কিছু বলতে অস্বীকার করেন।
দেশজুড়ে লকডাউন চলার ফলে শ্রমিকদের বড় অংশ এখন কর্মহীন। তাই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এমজিএনরেগা বা একশো দিনের কাজের অনুমতি দিয়েছে সরকার। সেই মতো বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় শুরু হয়েছে একশো দিনের কাজ। ভাতারের ঝাড়ুল গ্রামেও সেই মতোই কাজ শুরু হয়েছিল।