
শেষ আপডেট: 20 July 2019 03:20
সেই আন্দোলনেরই এক অভিনব রূপ দেখা গিয়েছে শুক্রবার রাতে। এ দিন রাত আটটা থেকে সাড়ে আটটা পর্যন্ত অন্ধকার থাকে গোটা চিত্তরঞ্জন শহর। আচমকাই শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা এ ভাবে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় প্রথমে ব্যাপারটা বুঝতে পারেননি অনেকেই। তবে পরে জানা যায়, এক অনন্য উপায়ে প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন চিত্তরঞ্জন রেল ইঞ্জিন কারখানার শ্রমিকরা। প্রতিবাদে পা মিলিয়েছেন তাঁদের পরিবার এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও। প্রত্যেকেই নিজেদের বাড়ি এবং দোকানের আলো নিভিয়ে গোটা শহর ব্ল্যাকআউট করে দেন। উদ্দেশ্য একটাই, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বার্তা পাঠানো। এ দিন হাতে মোমবাতি এবং লন্ঠন নিয়ে শহর জুড়ে মিছিল করেন তাঁরা।
কেন্দ্রীয় সরকার যদি নিজের মত পরিবর্তন না করে তাহলে আগামি দিনে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে চিত্তরঞ্জন রেল ইঞ্জিন কারখানা বাঁচাও কমিটি এবং জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটি। তাদের একটাই দাবি, কোনওভাবে কারখানাকে বেসরকারি মালিকানার অধীনে আসতে দেওয়া চলবে না। সরকারি কারখানা, সরকারের অধীনেই থাকবে।