
শেষ আপডেট: 15 January 2019 20:32
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কয়েকদিন আগেই ওই শিশুটি তার দাদুর বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। আর তার মধ্যেই ঘটে গেল এই দুর্ঘটনা। গোটা ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গ্যারগেন্ডা চা বাগান সংলগ্ন এলাকায়।
ডুয়ার্সের চা বাগানে চিতাবাঘের হানা নতুন ঘটনা নয়। তবে ইদানীং বেড়েছে পরিমাণ। জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের কর্মীরা জানিয়েছেন, ডুয়ার্সের বিভিন্ন জঙ্গল সংলগ্ন এলাকায় মোট ১৫২ টি চা বাগান রয়েছে। তরাই এলাকায় রয়েছে ৪২ টি চা বাগান। বনাঞ্চল ছেড়ে আজকাল হামেশাই চা বাগানে আশ্রয় নেয় চিতাবাঘ। বিশেষ করে সন্তান প্রসবের সময় জঙ্গল থেকে এবড়িয়ে আসে মা চিতাবাঘ। চা বাগান লাগোয়া বিভিন্ন নালাতেই বাচ্চার জন্ম দেয় তারা। কারণ জন্মের পরেই সন্তানকে মেরে ফেলার প্রবণতা রয়েছে পুরুষ চিতাবাঘের মধ্যে। তাই সদ্যোজাতদের বাঁচাতেই বনাঞ্চল থেকে বেরিয়ে আসে গর্ভবতী চিতাবাঘেরা।
এর মাঝেই বেশ কয়েকবার স্থানীয়দের বিরুদ্ধে বিষ খাইয়ে চিতাবাঘ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। মানুষ-চিতার এই সংঘর্ষ কমাতে নানা ব্যবস্থাও গ্রহণ করেছেন বনকর্মীরা। বিভিন্ন জায়গায় ফাঁদ হিসেবে পেতে রাখা হয়েছে খাঁচাও। কিন্তু লাভের লাভ কিছুই হয়নি। খাঁচা পেতেও রোখা যায়নি চিতাবাঘের দৌরাত্ম।
এ দিকে বারবার চিতাবাঘের হামলায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে গোটা উত্তরবঙ্গে। এ বার চিতাবাঘ গণনার প্রস্তাবও দিয়েছেন বন্দফতরের আধিকারিকরা। তাঁদের দাবি, সঠিক ভাবে এলাকায় থাকা চিতাবাঘের সংখ্যা জানতে পারলে, তাদের দৌরাত্ম রুখতে সুবিধা হবে বনদফতরের। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও সুরাহা হবে বনকর্মীদের।