Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: ‘তাহলে আমার তত্ত্ব ভুল ছিল না!’ বৈভবের বিরল ব্যর্থতা দেখে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য ইরফানের I PAC: ৫০ কোটির বেআইনি লেনদেন, আই প্যাক ডিরেক্টর ভিনেশের বিরুদ্ধে ৬ বিস্ফোরক অভিযোগ ইডিরWest Bengal Election 2026 | ‘৫০-আসন জিতে তৃণমূলকে ১৫০-আসনে হারাব’ মাতৃত্বের দুশ্চিন্তা, ‘ভাল মা’ হওয়ার প্রশ্ন—সদগুরুর পরামর্শে স্বস্তি পেলেন আলিয়ালক্ষ্য ২০২৯ লোকসভা ভোট, তড়িঘড়ি মহিলা সংরক্ষণ কার্যকরে মরিয়া মোদী! বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি কংগ্রেস?Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এটাই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত

নন্দীগ্রামে চিনা পণ্য বর্জন, আগুন দেওয়া হল টর্চ-খেলনা থেকে মোবাইল ফোনে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: লাদাখে চিনা সেনার হামলার প্রতিবাদে চিনা পণ্য বর্জন করা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা হলেও এবার পথে নেমে আন্দোলন শুরু হল পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে। রাস্তার উপরে চিনা পণ্য ফেলে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হল বুধবার। টায়ারের মধ্য

নন্দীগ্রামে চিনা পণ্য বর্জন, আগুন দেওয়া হল টর্চ-খেলনা থেকে মোবাইল ফোনে

শেষ আপডেট: 17 June 2020 11:54

দ্য ওয়াল ব্যুরো: লাদাখে চিনা সেনার হামলার প্রতিবাদে চিনা পণ্য বর্জন করা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা হলেও এবার পথে নেমে আন্দোলন শুরু হল পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে। রাস্তার উপরে চিনা পণ্য ফেলে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হল বুধবার। টায়ারের মধ্যে চিনা জিনিস ফেলে তাতে আগুন ধরিয়ে দিয়ে চিনা সামগ্রী বর্জনের ডাক দিলেন নন্দীগ্রামের মানুষ। টর্চ, খেলনা, লাইটার, চশমা, ঘড়ি, ব্যাটারি এমনকি মোবাইল ফোন পর্যন্ত ফেলে দেওয়া হয় আগুনে। পোস্টার হাতে স্লোগান দিতে থাকেন সাধারণ মানুষ। নন্দীগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের ভেকুটিয়া অঞ্চলের শ্রীহরি মোড় এলাকায় মূল সড়কের উপরে এই বিক্ষোভে শামিল হন শতাধিক মানুষ। তাঁরা জানয়েছেন প্রাথমিক ভাবে আন্দোলনের সূচনা হল। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বড় আন্দোলনে নামবে নন্দীগ্রাম। বিক্ষোভের পাশাপাশি বুধবার ঘণ্টা খানেকের জন্য পথ অবরোধ করেন তাঁরা। চিনা পণ্য বর্জন করে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে এমন কোনও দেশের পণ্য ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। বিক্ষোভকারীরা মনে করেন, চিন থেকে ছড়িয়ে করোনা মহামারীর আকার ধারণ করার পরে সেদিক থেকে নজর ঘোরাতে আগ্রাসন নীতি নিয়েছে চিন। তারা পরিকল্পনা করে ভারতীয় সেনাদের হত্যা করছে। চিনের পণ্য ব্যবহার বন্ধ করে যথাসম্ভব দেশীয় পণ্য ব্যবহার করলে তাতে দেশের অর্থনীতিও অনেকটা চাঙ্গা হবে বলে মনে করছেন বিক্ষোভকারীরা। এদেশে সস্তা চিনা পণ্যের যে চাহিদা রয়েছে তা যথাসম্ভব কমানোর ব্যাপারেও তাঁরা জোর দিচ্ছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, করোনা মহামারী প্রমাণ করে দিয়েছে দেশের মানুষ খুব অল্পেই বেঁচে থাকতে সক্ষম। সেই ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে দেশের মানুষকে চিনা পণ্য ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।

```