দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যাওয়ার পর যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাতগাছিয়ার সভা থেকে বলেছিলেন, বাড়িতে দুজন তৃণমূলের সাংসদ রয়েছে, আর তোমার তৃণমূলের বিরুদ্ধে কথা বলতে লজ্জা করে না?
পাল্টা শুভেন্দু বলেছিলেন, বাবু সোনা রামনবমী, বাসন্তী পুজো আসুক, আমার বাড়িতেও পদ্ম ফুটবে। তবে আমি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে তোমার বাড়িতেও পদ্মফুল ফোটাব।
রামনবমী আসার আগেই শুভেন্দুর ভাই তথা কাঁথি পুরসভার অপসারিত প্রশাসক সৌমেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এবার কি দিব্যেন্দুর পালা?
মঙ্গলবারের পর এই জল্পনা জোরাল হয়েছে। একদিনে একসঙ্গে জেলার আটটি হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তমলুকের সাংসদ। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য দফতরের মনোনীত সরকারি প্রতিনিধির পদও ছেড়েছেন তিনি। তবে এখনও পর্যন্ত হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদ সদস্য দিব্যেন্দু।
শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরেই অধিকারী পরিবারের উপর কোপ পড়া শুরু হয়। সৌমেন্দুকে প্রশাসক পদ থেকে সরানোর শিশির অধিকারীকেও জেলা সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
দিব্যেন্দুর ইস্তফার পর অনেকেই মনে করছেন, আরও একটি পদ্ম ফুটতে চলেছে শান্তিকুঞ্জে। ৭ ফেব্রুয়ারি পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার আগে এমন ইস্তফায় ব্যাপক জল্পনা তৈরি হয়েছে।