দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাড়ি ফেরার পথে বিপত্তি। যাত্রী সমেত বাস উল্টে গেল বর্ধমানের ২ নম্বর জাতীয় সড়কের পালসিটের কাছে। দুর্ঘটনায় একজন যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসার পরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের বাড়ি কলকাতা ও হাওড়ার আন্দুলে।
মোট ২০ জনের একটি দল ১৬ মার্চ উত্তরাখণ্ডে বেড়াতে গিয়েছিল। লকডাউনের জেরে তাঁরা সেখানে আটকে পড়েন। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে গত ১০ মে বাস ভাড়া করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন তাঁরা। পথে দুর্গাপুরের চার পর্যটক নেমে পড়েন। তারপরে কলকাতা যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় পড়ে ওই বাসটি। মেমারি থানার পুলিশ অন্য যাত্রীদের গাড়ি করে বাড়িতে ফেরানোর ব্যবস্থা করেছে। পুলিশ জানিয়েছে চালক ঘুমিয়ে পড়াতেই এই বিপত্তি।
চিকিৎসা ও অন্য প্রয়োজনে দক্ষিণ ভারতে গিয়ে আটকে পড়া বেশ কয়েক জন আজ বর্ধমানে ফিরেছেন। এঁদের মধ্যে ৫ জন বর্ধমান শহরের বাসিন্দা। তাঁদের পাড়া থেকে কয়েক জন তাঁদের ফিরিয়ে নিয়ে যেতে বাসস্ট্যান্ডে এসেছিলেন। নিয়মিত ভাবেই এই জেলা থেকে অনেকে চেন্নাই ও বেঙ্গালুরুতে চিকিৎসা করাতে যান। এঁদের মধ্যেই অনেকে আটকে পড়েছিলেন লকডাউনের জেরে। তাঁরা খুবই সমস্যার মধ্যে ছিলেন। অবশেষে মঙ্গলবার চারটি বাসে তাঁরা জেলায় ফিরলেন। বেঙ্গালুরু থেকে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে আজ সকালে বাঁকুড়া হয়ে বাসে তাঁরা বর্ধমানে আসেন। রাস্তায় কোনও সমস্যা হয়নি বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা।
বাঁকুড়া স্টেশনে নামার পরে রাজ্য সরকারের তরফে তাঁদের বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করা হয়। ঘরে ফেরা শ্রমিকরারা জানিয়েছেন যে প্রবাসে তো বটেই, এ রাজ্যে আসার পরেও তাঁদের প্রয়োজনীয় শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে। নিয়ম মেনে তাঁদের ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। প্রয়োজনে স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে।