Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

মামলার পাহাড় বর্ধমানে, মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি নিয়ে আলোচনায় বিচারপতিরা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিনের পর দিন ধরে নিষ্পত্তি না হওয়ায় মামলার পাহাড় জমে গেছে বিভিন্ন আদালতে। জমে থাকা সেই পাহাড়প্রমাণ মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আলোচনা সভা হল বর্ধমানে। বর্ধমানের টাউন হলে কলকাতা হাইকোর্টের মিডিয়েশন কমিটির উদ্যোগে একদিনের সে

মামলার পাহাড় বর্ধমানে, মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি নিয়ে আলোচনায় বিচারপতিরা

শেষ আপডেট: 10 February 2020 11:13

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিনের পর দিন ধরে নিষ্পত্তি না হওয়ায় মামলার পাহাড় জমে গেছে বিভিন্ন আদালতে। জমে থাকা সেই পাহাড়প্রমাণ মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আলোচনা সভা হল বর্ধমানে। বর্ধমানের টাউন হলে কলকাতা হাইকোর্টের মিডিয়েশন কমিটির উদ্যোগে একদিনের সেমিনারে পূর্ব বর্ধমান, হাওড়া ও হুগলি জেলার বিচারকরা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের মিডিয়েশন কমিটির সাত সদস্য যার মধ্যে ছিলেন ওই কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি হরিশ ট্যাণ্ডনও। জেলার কয়েক জন আইনজীবীও এদিনের আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন। সেমিনারে আলোচনা হয় কী ভাবে জমে থাকা মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করা যায় সেই বিষয়ে। বর্তমানে মিডিয়েশন বা মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে মামলার নিষ্পত্তির উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর কারণ আদালতে মামলার পাহাড় জমে রয়েছে, মানুষ দ্রুত বিচার পাচ্ছেন না। মানুষের কাছে এখনও দ্রুত বিচার পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়নি। এর পিছনে নানা কারণ রয়েছে। প্রতিদিন মানুষ মামলা করছেন। প্রতি বছর মামলার সংখ্যা বাড়ছে। দেশে জনসংখ্যার তুলনায় বিচারকের সংখ্যা অনেক কম। পর্যাপ্ত বিচারক না থাকায় বিচারে বিলম্ব হচ্ছে। হাইকোর্টে মামলা ঝুলে থাকছে। মানুষের কাছে দ্রুত বিচার পৌঁছে দিতে বিচার ব্যবস্থায় পরিবর্তন জরুরি। সে কথা মাথায় রেখেই মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধের নিষ্পত্তির কথা ভাবা হয়েছে। দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯ চালু করা হয়েছে। মানুষের কাছে দ্রুত বিচার পৌঁছে দিতেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। সেখানে বিকল্প ব্যবস্থায় বিরোধের নিষ্পত্তির উপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি ও বিচারকদেরও মিডিয়েশন নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এটা এমন একটা ব্যবস্থা যেখানে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধের দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব। মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধের নিষ্পত্তিতে সাধারণ মানুষের হয়রানি অনেক কমবে, একই সঙ্গে কমবে খরচও। এতে আদালতের উপরও চাপ অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

```