
শেষ আপডেট: 16 March 2019 14:13
মুকুল রায়ের 'দল ভাঙানোর খেলা' নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে শুক্রবার ববি বলেছিলেন, "আগে জানতাম তপন শিকদার বিজেপির নেতা। তারপর রাহুল সিনহা বা দিলীপদাদেরও মানুষ বিজেপি-র নেতা হিসেবে দেখেছে। কিন্তু এখন দেখছি ওঁদের আর কোনও গুরুত্বই নেই। দিল্লিতে শুধু মুকুল রায়েরই গুরুত্ব!" সন্দেহ নেই পুরমন্ত্রী দিলীপবাবুদের আত্মবিশ্বাসে আঘাত হানতেই এমন মন্তব্য করেছিলেন। কিন্তু মেদিনীপুরের নয়াগ্রাম থেকে উঠে আসা নেতা এ দিন বলেন, "ববি হাকিম দু'বছর আগে বলেছিলেন, কে দিলীপ ঘোষ? আজ তিনিই আমায় দাদা বলে সম্বোধন করছেন। যাই হোক, ওঁর চৈতন্য ফিরেছে।" তারপরই বলেন, "এটাই বিজেপি। এখানে আমার মতো চাষার ছেলেও রাজ্যসভাপতি হয়। ববি বিজেপি-তে এলে, যোগ্যতার সঙ্গে কাজ করলে, উনিও নেতা হবেন। আর তৃণমূলে থাকলে সারাজীবন চাকর হয়েই থাকতে হবে।"
দিলীপ ঘোষের এই কথার জবাবে ববি হাকিম-ঘনিষ্ঠ এক নেতা বলেন, "ভোটের পর জনরোষ থেকে বাঁচতে দিলীপবাবুদেরই তৃণমূলের পায়ে এসে পড়তে হবে। মিলিয়ে নেবেন।"
দিলীপ ঘোষকে আরও প্রশ্ন করা হয়, এত দিন পর্যন্ত অর্জুন সিংকে বলতেন 'ব্যারাকপুরের মাফিয়া'। আজ তিনিই ধোয়া তুলসীপাতা? এ দল সে দল ভাঙিয়ে কি আদৌ মানুষের সমর্থন পাওয়া যাবে? দিলীপ ঘোষের সাফ জবাব, "এখন আমাদের ব্র্যান্ড ভ্যালু, শেয়ার ভ্যালু ভালো, তাই সবাই আসছেন। এটা চলবে।"
শরীরী ভাষায় আত্মবিশ্বাস যেন ছলকে পড়ছে দিলীপ ঘোষের। আসনের হিসেব কষে দিলীপবাবু বলেন, "উত্তরবঙ্গের আটটা আসনের আটটিতেই বিজেপি জিতবে। জঙ্গলমহলের সব আসনে ফুটবে পদ্মফুল। বাকিটা এ দিক ও দিক থেকে।"
এখনও প্রার্থী ঘোষণা হয়নি বিজেপির। রাজ্য সভাপতি এ দিন জানিয়েছেন, কাল দিল্লিতে বৈঠক রয়েছে। তারপরই সব ঠিক হয়ে যাবে। এখনও সে ভাবে প্রচার, জনসভা শুরু হয়নি। কিন্তু বাকযুদ্ধ শুরু হয়ে গেল পুরোদমে।
আরও পড়ুন-
https://www.four.suk.1wp.in/news-state-dilip-ghosh-trashes-claim-of-anubrata-mandal-on-birbhum-result/