কুলটিতে রাস্তায় চারাগাছ পুঁতলেন এলাকাবাসী, বেহাল রাস্তা সারাইয়ের আশ্বাস স্থানীয় কাউন্সিলরের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেহাল রাস্তা সারাইয়ের দাবিতে সোমবার সকালে আসানসোল পুর নিগমের ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের রাধানগর রোড অবরোধ করলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা রাস্তার ভাঙা অংশে গাছের চারা পুঁতে দেন। রাস্তাটি দীর্ঘ দিন ধরেই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে বল
শেষ আপডেট: 29 June 2020 08:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেহাল রাস্তা সারাইয়ের দাবিতে সোমবার সকালে আসানসোল পুর নিগমের ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের রাধানগর রোড অবরোধ করলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা রাস্তার ভাঙা অংশে গাছের চারা পুঁতে দেন। রাস্তাটি দীর্ঘ দিন ধরেই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ।
স্থানীয় বাসিন্দারা এ দিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বিধায়ক ও কাউন্সিলরকে বলা সত্ত্বেও কোনও সুরাহা হয়নি। তাই তাঁরা বাধ্য হয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। তাঁরা রাস্তার উপরে জমে থাকা জলে চারা গাছ পুঁতে বিক্ষোভ দেখান। স্থানীয় কাউন্সিলর সরোজ কর্মকার বলেন, “আমরা কুলটি বিধানসভা আসনের সদস্যকে সমস্যার কথা জানিয়েছি। আসানসোল পুর নিগমের মেয়রকেও জানিয়েছি। মেয়র আমাদের জানিয়েছেন খুব শীঘ্রই এই কাজ হয়ে যাবে।” বিরোধীরা বলছে প্রশাসন কাজ করছে না। এনিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “বিরোধীরা একথা বলবেই।” কাউন্সিলর নিজেও ওই এলাকার বাসিন্দা। তাই তিনি নিজেও ওই বিক্ষোভ সমর্থন করে বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ান। পাশাপাশি আশ্বাসও দেন।
[caption id="attachment_234451" align="aligncenter" width="676"]

এমনই অবস্থা রাস্তার।[/caption]
রাধানগর থেকে চিনাকুড়ি যাওয়ার রাস্তার অবস্থা অনেক দিন ধরেই খারাপ৷ এই অভিযোগ তুলে সোমবার সকাল নটা থেকে বিক্ষোভে শামিল হন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, ভারী যান চলাচল করার জন্য এই দশা হয়েছে রাস্তার। বারবার অভিযোগ জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি। অবিলম্বে রাস্তা মেরামতির দাবি জানাতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘণ্টাখানেক পথ অবরোধ করার পরে ঘটনাস্থলে নিয়ামতপুর ফাঁড়ির পুলিশ হাজির হয়। পুলিশ গিয়ে রাস্তা সারানোর ব্যাপারে অবরোধকারীদের আশ্বস্ত করেন। ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সরোজ কর্মকারও সেখানে উপস্থিত হন। তিনিও রাস্তা সংস্কারের আশ্বাস দেন।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, রাস্তা সংস্কারের কথা জানিয়ে গত ২৬ জুন পূর্ত বিভাগের মুখ্য ইঞ্জিনিয়ারকে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন বিধায়ক। রাস্তা সংস্কারে অযথা দেরি হলে এলাকার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে উঠতে পারেন বলেও চিঠিতে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তারপরেই এই অবরোধ।
যে সব রাস্তা বেহাল বর্ষায় তা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। রাস্তার খানাখন্দ জলে ভরে যায় বলে গভীরতা বোঝা যায় না। তাতে ছোটবড় দুর্ঘটনা লেগেই থাকে। তাই বছরের অন্য সময় সে ভাবে লোকে রাস্তা নিয়ে অভিযোগ না করলেও বর্ষা পড়তেই লোকে অভিযোগ করতে শুরু করে দেন। ইতিমধ্যেই জেলায় তো বটেই, পাশের জেলা পূর্ব বর্ধমান ও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় রাস্তায় জমা জলে মাছ ছেড়ে তাা জাল দিয়ে ধরে প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাসিন্দারা।