
শেষ আপডেট: 5 August 2020 13:25
এদিন সকাল থেকে হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এলাকার বিভিন্ন জায়গায় কড়া পুলিশি টহলদারি ছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যাতে কোথাও লকডাউন ভেঙে পুজো না হয় বা শোভাযাত্রা না বের হয় সে দিকে কড়া নজর ছিল তাদের। বিশেষ করে হাওড়া শহরের উত্তর অংশে বিজেপির কর্মী-সমর্থকের সংখ্যা বেশি থাকায় সেখানে পুলিশের বাড়তি নজরদারি ছিল।
গোলাবাড়ি থানা এলাকায় বিজেপির সমর্থকের সংখ্যা বেশি। তাই এখানেও পুলিশের টহল দেখা যায় সকাল ছ’টা বাজতে না বাজতেই। ডিসি (উত্তর) পরভিন প্রকাশের নেতৃত্বে এদিন রোড মার্চ করে পুলিশ। বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল রামরাজাতলা এলাকাতেও।
স্থানীয় ইতিহাস অনুযায়ী জমিদার অযোধ্যারাম চৌধুরী স্বপ্নে আদেশ পেয়ে রামরাজাতলায় মন্দির প্রতিষ্ঠা করে রামের পুজো শুরু করেন। রথের উপরে প্রতি বছর মূর্তি তৈরি করা হয়। চৈত্র মাসে রামনবমীতে পুজো শুরু হয়। শ্রাবণ মাসের শেষ রবিবার ঠাকুর গঙ্গায় বিসর্জন দেওয়া হয়। রাম-রাবণের যুদ্ধের পরে সীতাকে উদ্ধার করে রাম অযোধ্যায় ফেরেন। তাঁর রাজ্যাভিষেক হওয়ার পরে প্রথম যে দরবার বসে তার অনুকরণে রথের উপরে মূর্তি তৈরি করা হয়।
রামের রথে বশিষ্ঠ, ভরত, শত্রুঘ্ন, বিভীষণ, জাম্বুবান প্রমুখের মূর্তি রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে সরস্বতী, জগদ্ধাত্রী ও শিবের মূর্তি সব মিলিয়ে ২৬টি। রামের পাশে আলাদা করে হনুমানের পুজোর ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে সাবিত্রী-সত্যবান, বলিরাজা এবং বামন অবতারের পুজো হয়। রয়েছে যমের মূর্তিও।