দ্য ওয়াল ব্যুরো, উত্তর ২৪ পরগনা: জবকার্ড চাইতে যাওয়ায় দুই গৃহবধূকে নিগ্রহ করার অভিযোগ উঠল উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার হাড়োয়া থানার গোপালপুরে। এক বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই বিজেপি নেতা। উলটে মহিলাদের বিরুদ্ধেই মারধরের অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
সূত্রের খবর, গোপালপুরের দাসপাড়া গ্রামের দুই গৃহবধূ কল্যাণী রুইদাস ও সোমা রুইদাসের জবকার্ড দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বিজেপি নেতা তুফান রুইদাস আটকে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার রাতে কল্যাণী ও সোমা সেই জবকার্ড চাইতে গেলে তাঁদের নিগ্রহ করা হয় বলে অভিযোগ। দু’জনকে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। তাঁদের পরনের শাড়ি, ব্লাউজ ছিড়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ।
গৃহবধূদের অভিযোগ, শারীরিক নিগ্রহের পরে তাঁদের পরিবারের লোকেরা তাঁদের উদ্ধার করে হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এই ঘটনার জন্য তুফান রুইদাস এবং তাঁর সহযোগী বিট্টু দাস, সুমন দাস ও শুকদেব দাসের বিরুদ্ধে হাড়োয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।
সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিজেপি নেতা তুফান রুইদাস। উলটে তিনি অভিযোগ করেছেন, তাঁদেরই এক মহিলাকে মারধর করেছে ওই গৃহবধূর পরিবার। এই ঘটনার পিছনে ওই মহিলাদের কেউ ইন্ধন দিয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁদের তরফেও হাড়োয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
দু’পক্ষের অভিযোগ পাওয়ার পরে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হাড়োয়া থানার পুলিশ। শুধুই জবকার্ড চাওয়াকে কেন্দ্র করে গণ্ডগোল, নাকি এই ঘটনার পিছনে কোনও রাজনৈতিক যোগ রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।