দ্য ওয়াল ব্যুরো: এক আদিবাসী গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তিন যুবককে। ঘটনায় আরও এক অভিযুক্ত পলাতক। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের মহম্মদ বাজার থানার গোপালনগর এলাকায়। ধৃতদের আজ সিউড়ি আদালতে তোলা হয়। ধর্ষিতা মহিলার আদালতে গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত অভিযুক্তদের নাম মনিরউদ্দিন শেখ, নিজামুদ্দিন শেখ ও নীলমাধব মির্ধা। অভিযুক্তদের বাড়ি সেকেড্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতের লপাড়া গ্রামে। এদের আর এক জন সঙ্গী পলাতক।
ওই গৃহবধূর বয়স তিরিশ বছর, তাঁর বাড়ি প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডের রানীশ্বর থানার বাকখোলা গ্রামে।
মোবাইলে রং নাম্বারে ফোন করার ফলে গণধর্ষণে অন্যতম অভিযুক্ত নিজামউদ্দিনের সঙ্গে আলাপ হয় ওই মহিলার। বেশ কিছুদিন ধরে ফোনে আলাপ জমানোর পরে গত শনিবার বিকেলে ওই মহিলাকে ডেকে পাঠায় নিজামুদ্দিন। ওই মহিলা একাই রানীশ্বর থেকে বাসে চেপে এসে প্রথমে শেওড়াকুড়িতে নামেন, সেখান থেকে নিজামুদ্দিন মোটরবাইকে চাপিয়ে গোপালনগর জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে নিজামুদ্দিনেক তিন বন্ধু যোগ দেয়। ইতিমধ্যে ওই মহিলা তাদের কু-মতলব বুঝতে পেরে দেউচা গ্রামের এক নিকটাত্মীয় দাদাকে ফোন করে তাঁর তখনকার অবস্থার কথা জানান। সেই দাদা ওই এলাকায় গিয়ে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন।
পরে ওই জঙ্গল এলাকায় রাত্রিবেলায় টহলরত পুলিশের গাড়িকে তিনি বিষয়টি জানান। ভোররাতে ওই মহিলাকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।
ইতিমধ্যেই মহম্মদবাজার থানায় এই ঘটনাযর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তিনজনকে গ্রেফতার করে। একজন পালিয়ে গেছে। পুলিশ তার খোঁজ করছে।
সোমবার ওই তিন অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের দশ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।