দ্য ওয়াল ব্যুরো: নতুন করে রথযাত্রার সূচি নবান্নে জমা দিল বঙ্গ বিজেপি। বৃহস্পতিবার সকালে বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার রাজ্য সচিবালয়ে গিয়ে এই আবেদন জমা দেন। চারটি যাত্রা বের করার আবেদন জানানো হয়েছে গেরুয়াশিবিরের তরফে। বুধবার বিকেলে নবান্নে আবেদন নিয়ে গিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু গতকাল সাড়ে পাঁচটা বেজে যাওয়ায় সেই আবেদন জমা নেওয়া হয়নি। এ দিন ফের সেই আবেদন নিয়ে নবান্নে যায় বিজেপি।
রথ মামলা সুপ্রিম কোর্ট খারিজ করে দেওয়ার পরও ফের আবেদনের সুযোগ রেখেছিল বিজেপি-র সামনে। আদালতে রাজ্যের তরফে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুন্ন হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল। তুলে ধরা হয়েছিল গোয়েন্দা রিপোর্টও। আদালত বিজেপি-কে বলেছিল, রাজ্যের আপত্তিগুলি মাথায় রেখে পুনরায় তারা আবেদন করতে পারে। এ দিন লিখিত আকারে সেই আবেদনই জমা দেয় বিজেপি।
নবান্ন থেকে বেরিয়ে বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “শীর্ষ আদালতের রায় মেনেই আমরা আবেদন করেছি। আমরা আবেদনে জানিয়েছি, সাম্প্রদায়িক বা ধর্মীয় কোনও ইস্যুতে এই যাত্রা নয়। এটা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে রাজনৈতিক কর্মসূচি। এটা সাংবিধানিক অধিকার। আমরা রাজ্যের কাছে জমা দিলাম। এ বার অপেক্ষা করব রাজ্য কী বলে তার জন্য।”
তবে বিজেপি-র নেতারা ধরেই নিয়েছেন, রাজ্য সরকার অনুমতি দেবে না। তাই গতকালই কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেননদের মতো কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতি বঙ্গ বিজেপি বিকল্প জনসভার কর্মসূচি স্থির করে ফেলেছে। ২০ জানুয়ারি থেকে রাজ্যে ৫টি জনসভার করার কথা সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের। যদিও সেও কর্মসূচি নিয়েও তৈরি হয়েছে জটিলতা। বুধবারই সোয়াইন ফ্লু নিয়ে দিল্লির অল ইন্ডিয়া মেডিক্যাল সায়েন্সেস হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অমিত শাহ। তিনি এই ক’দিনে সুস্থ হয়ে টানা কর্মসূচি করতে পারবেন কি না তা নিয়েও তৈরি হয়েছে সংশয়।
এ দিন নতুন আবেদনে বিজেপি-র তরফে জানানো হয়েছে চারটি যাত্রা করতে চায় তারা। যাত্রাগুলি শুরু হবে কোচবিহার, তারাপীঠ, গঙ্গাসাগর এবং হলদিয়া থেকে। এখন দেখার নবান্ন কী জবাব দেয়।