দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: বোমা বা বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় করতে তলব করা হয় বম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াডকে। কিন্তু তাই বলে বাজেয়াপ্ত করা বাজি নিষ্ক্রিয় করতে কেন তাদের তলব করা হবে তার ব্যাখ্যা চাইল বর্ধমান আদালত। এই বিষয়ে তদন্তকারী অফিসারের ব্যাখ্যা তলব করেছে আদালত।
জানা গিয়েছে, বাজেয়াপ্ত করা বাজি নিষ্ক্রিয় করার জন্য বম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াড বা বিডিডিএসকে অনুমতি দেওয়ার জন্য শনিবার বর্ধমানে আদালতে আবেদন জানান তদন্তকারী অফিসার। সেই বিষয়েই এদিন বর্ধমান আদালতের ভারপ্রাপ্ত সিজেএম রাজর্ষি মুখোপাধ্যায় মামলার শুনানি চলাকালীন মন্তব্য করেন, বোমা অথবা বিস্ফোরক নিষ্ক্রিয় করার জন্য বিডিডিএসের সাহায্য নেওয়া হয়। কিন্তু, এক্ষেত্রে বাজেয়াপ্ত করা বাজি নিষ্ক্রিয় করার জন্য বিডিডিএসকে তলব কেন করছেন তদন্তকারী অফিসার। তাহলে কী ধরনের বাজি উদ্ধার হয়েছে তা জানা প্রয়োজন। কেন তদন্তকারী অফিসার সিআইডির বোমা বিশেষজ্ঞদের বাজি নিষ্ক্রিয় করার জন্য সাহায্য চাইছেন তা জানা দরকার।
বর্ধমান আদালতের সিজেএম আরও বলেন, তদন্তকারী অফিসারকে সশরীরে হাজির হয়ে এ ব্যাপারে ব্যাখ্যা দিতে হবে। আগামী শুক্রবার তদন্তকারী অফিসারকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত সিজেএম।
শুক্রবার বিকেলে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার এরুয়ার বাজারে একটি দোকানে হানা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ১৮ কেজি বাজি বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। হাইকোর্টের নির্দেশে এবার বাজি ফাটানো নিষিদ্ধ। তারপরও কেন দোকানে বাজি মজুত করা হয়েছিল তার ব্যাখ্যা দিতে পারেনি দোকানের মালিক। এরপরই দোকানের মালিক রাম ঘোষ ও বাপি মণ্ডলকে পুলিশ গ্রেফতার করে। আমারুন স্টেশন বাজার এলাকায় রামের বাড়ি। বাপির বাড়ি এরুয়ারে। ঘটনার বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ।
রবিবার আদালতে পেশ করা হয় দু’জনকে। ধৃতদের জামিন মঞ্জুর করেন ভারপ্রাপ্ত সিজেএম রাজর্ষি মুখোপাধ্যায়।