
শেষ আপডেট: 8 February 2020 13:26
প্রায় আড়াইশ বছর ধরে চলে আসছে এই রীতি। শীতলা মায়ের ঐতিহ্যবাহী স্নানযাত্রা দেখতে রাস্তার ধারে প্রতিবছরই ভিড় করেন অগুণতি ভক্ত। এ বছরও তার অন্যথা হয়নি। কোনওরকম অশান্তি যাতে না হয় তাই চতুর্দিকে কড়া নজরদারি চলছে পুলিশ প্রশাসনের। বিভিন্ন জায়গায় ক্যাম্প করে পুলিশ পোস্টিং করা হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষ ও ভক্তদের জন্য বিশেষ করে যাঁরা উপোস করেছেন কিংবা দন্ডি কেটেছেন, তাঁদের জন্য জল-বাতাসার ব্যবস্থা করা হয়। আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত চলবে এই উৎসব।
সালকিয়ার অরবিন্দ রোডের বড়মায়ের মন্দির ছাড়া আরও ৬টি শীতলা মন্দিরেই শনিবার সকাল থেকে ছিল ভক্ত সমাগম। নিরাপত্তার খাতিতে তৈরি প্রশাসনও। সব মন্দির চত্বর এবং রাস্তার ধারে ধারে রয়েছে অসংখ ক্যাম্প। পানীয় জল এবং খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে সেখানে। বিকেলের পর স্নানের উদ্দেশে পালকি করে রওনা দেয় সব মন্দিরের দেবী মূর্তি। জনপ্লাবনের মধ্যে দিয়ে গঙ্গার ঘাটের নিয়ে যাওয়া হয় বড় মায়ের পালকি। স্থানীয়দের কথায় প্রতি বছর প্রায় কয়েক লক্ষ মানুষ এই স্নান যাত্রায় অংশ নেন। স্নান যাত্রার শেষে পুজো হয় এবং তারপর চলে ভোগ বিতরণ। মূলত বাঁধাঘাট ও ফুলতলা গঙ্গার ঘাটে মায়ের স্নান হয়।
স্নানযাত্রা উপলক্ষ্যে উত্তর হাওড়ায় এদিন সকাল থেকেই যান নিয়ন্ত্রণ শুরু করেছিল হাওড়া সিটি পুলিশ। বড় মায়ের মন্দির সংলগ্ন শ্রী অরবিন্দ রোড, জিটি রোড, বেনারস রোড, সালকিয়া স্কুল রোড-সহ একাধিক রাস্তা দুপুরের পর থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়। কারণ দুপুরের পর থেকেই লক্ষ লক্ষ মানুষ এইসব রাস্তার ধারে জড়ো হন শোভাযাত্রা দেখার জন্য। যাতে কোনও বিশৃঙ্খল পরিবেশের সৃষ্টি না হয় তাই প্রায় সব রাস্তার মোড়েই মোতায়েন রয়েছে পর্যাপ্ত পুলিশ এবং সিটি পুলিশ ভলান্টিয়ার।