শেষ আপডেট: 3 March 2020 11:18
রাস্তাঘাট নেই এই ওয়ার্ডে, নেই আলোও[/caption]
প্রবীণ নাগরিক খাঁদি লোহার বলেন, “খাওয়ার জল পাচ্ছি না, কল ভেঙে গিয়েছিল। এখন কল টিপতে গিয়ে দেখি কাদা উঠছে। সেসব ব্যবস্থা করবে না? রাস্তার ব্যবস্থা করবে না? আমার বাড়ির ছাদ থেকে জল পড়ে, কোনও বাড়ি নেই আমার।”
এলাকার সমস্যা নিয়ে মুখ খুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা বীরেন লোহারও। তিনি বলেন, “এলাকায় প্রাথমিক স্কুল নেই। আলো লাগানোর মাস খানেকের মধ্যেই তা খারাপ হয়ে গেছে। ভোটের সময় সকলে আসে, সমস্যা জানতে চায়, ভোট মিটলে আর কেউ আসে না।” স্থানীয় গৃহবধূ লক্ষ্মী লোহার বলেন, “রাস্তার এমন অবস্থা যে চলাফেরা করতে পারি না, রাস্তায় কোনও আলো নেই।”
[caption id="attachment_192108" align="aligncenter" width="610"]
সরকারি আবাস যোজনায় স্বজনপোষণের অভিযোগ[/caption]
সরকারি আবাস প্রকল্প বণ্টনের ক্ষেত্রে অভিযোগ উঠেছে স্বজনপোষণের। শৈলেন লোহার বলেন, “আমি এই এলাকার বাসিন্দা। আমার ঘর প্রায় ভেঙে পড়ছে। ঘরের ব্যাপারে আবেদন জানাতে বহু বার আমাদের পুরপ্রধান শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের কাছে গিয়ে আবেদন করেছি। তাঁর বাড়িতে তিন-চারবার গেছি। বাড়িতে গেলে বলছেন পুরসভায় যেতে। সেখানে গেছি। তখন আমাদের ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শ্রীকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেকে আমার সমস্যা দেখার কথা বলেছেন। শ্রীকান্ত বললেন ওঁর বাড়িতে যেতে। ওঁর বাড়িতেই গেলাম। তখন উনি বলতে শুরু করলেন কে কবে কী করেছে সেসব নিয়ে। আমি রাজমিস্ত্রির কাজ করি। দেখছি যাঁদের দোতলা বাড়ি রয়েছে তাঁরা বাড়ি পাচ্ছেন কিন্তু আমরা পাচ্ছি না। যাঁর ঘরে তিন-চারটে তাঁত আছে তিনি ঘর পাচ্ছেন, আমি নিজে সেখানে কাজ করে আসছি কিন্তু আমি ঘর পাচ্ছি না।”
এবিষয়ে পুরপ্রধান শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে প্রশ্ন করা হলে অভিযোগ কার্যত স্বীকার করে নিয়ে তিনি বলেছেন, “আমরা কাজ করছি ভোটের আগেই সব কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।”