দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে বসিরহাটের হাসপাতালে ভর্তি হলেন এক বাংলাদেশি। যে আত্মীয়ের কাছে তিনি ছিলেন সেই আত্মীয়ের বাড়ির বাইরে এদিন বিক্ষোভ দেখান এলাকার লোকজন। তাঁদের হোম কোয়ারান্টাইনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বসিরহাট পুরসভার সতেরো নম্বর ওয়ার্ডের সরদারআটিতে এক আত্মীয়ের বাড়িতে গত শুক্রবার এসেছিলেন বছর তিরিশের যুবক। তাঁর বাড়ি বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার পারুলিয়া গ্রামে। গত মাস দুয়েক আগে তিনি কলকাতা এসেছিলেন। উঠেছিলেন আগরপাড়ায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে। ইতিমধ্যেই জনতা কারফিউ ঘোষণা হয়। তারপরে শুরু হয় লকডাউন। ওই বাংলাদেশি পর্যটকের দু’মাসের ভিসার মেয়াদও শেষ হয়ে যায় কিন্তু দেশে ফিরতে পারছিলেন না। এর মধ্যে রবিবার সকাল থেকে শ্বাসকষ্ট সর্দি ও জ্বরের উপসর্গ দেখা যায়।
ওই যুবকের করোনা উপসর্গ দেখা দেওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। এই ঘটনায় বসিরহাট পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সুদেব সাহা ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকার লোকজনকে বোঝান ও যুবককে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। তবে এখন ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে শঙ্কার পরিবেশ রয়েছে।
১৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা ওই বাংলাদেশ সাতক্ষীরা জেলার যুবককে আত্মীয়ের বাড়িতে থাকতে নিষেধ করা হয় এবং হাসপাতালে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথা বলা হয়। ওই যুবককে বসিরহাট জেলা হাসপাতালের চিকিৎসকরা ১৪ দিন কোয়ারান্টাইন সেন্টারে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। ওই যুবকের রক্ত ও লালারস নিয়ে পরীক্ষা করার জন্য কলকাতার স্কুল অব ট্রপিকাল মেডিসিনে পাঠানো হয়েছে। ওই বাংলাদেশি যুবক যে বাড়িতে ছিলেন সেই বাড়ির সমস্ত লোকজনকে হোম কোয়ারান্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার জেরে এলাকায় লোকজন শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।