দ্য ওয়াল ব্যুরো: নতুন সমস্যার মুখে পড়তে হল অধ্যাপিকা তথা কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেই সমাধান খুঁজতে মঙ্গলবার ফের শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ছুটলেন তিনি।
ওই কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপিকা বৈশাখীদেবী। দীর্ঘদিন সামলেছেন টিচার ইনচার্জের দায়িত্ব। কিন্তু গত বছর থেকে যখন শোভনবাবুকে নিয়ে রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি হল, তখন ওই পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন তিনি। প্রথমে পার্থবাবু তা গ্রহণ করেননি। কয়েকমাস পর আবার ইস্তফা দেন।
এর মধ্যেই সরকারের তরফে চিঠি পাঠানো হয় বৈশাখীকে। পার্থবাবুর সঙ্গে ফের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে সমস্যা মোটামুটি ভাবে মিটেও যায়। কাজে যোগ দিতে যান বৈশাখী। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, এর মধ্যেই সোমবার নাকি ওই কলেজের পরিচালন সমিতি নতুন টিচার ইনচার্জ নিয়োগের পদক্ষেপ শুরু করেছে।
যদিও কলেজ পরিচালন সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কলেজের টিচার্জ ইনচার্জের দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে তা পরিচালন সমিতিই ঠিক করে। এর মধ্যে বেআইনি কিছু নেই। বৈশাখীদেবীর নাম না করে বলা হয়েছে, যে ভাবে বর্তমান চিচার ইনচার্জ রোজ ইস্তফা দেওয়ার নাটক করছেন তাতে কলেজের ছাত্রীরাও জানে না তাঁদের মাথায় কে আছেন। এই ভাবে কোনও কলেজ চলে না। সেইসঙ্গে তাঁদের আরও বক্তব্য, উনি প্রায় কলেজে আসেনই না। অন্য কাজে বেশি ব্যস্ত থাকেন। ফলে কলেজ চালাতে একজন দায়িত্ববান কাউকেই ওই চেয়ারে বসানো হবে।
কয়েক মাস আগে কলেজে গিয়ে অন্য এক অধ্যাপিকার সঙ্গে জোর বচসায় জড়িয়েছিলেন বৈশাখী। দুই অধ্যাপিকার তীব্র বাদানুবাদে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল ছাত্রীরাও। যদিও এদিন কী কথা হয়েছে তা নিয়ে কিছু খোলসা করেননি বৈশাখী। শুধু বলেছেন, কলেজের সমস্যা নিয়ে কথা বলতে এসেছেন শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে।
পার্থবাবু বলেন, “বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় অধ্যাপিকা। আমি শিক্ষামন্ত্রী। উনি আসতেই পারেন। এর মধ্যে কোনও নতুনত্ব নেই।” এখন দেখার কবে মিল্লি আল আমিন কলেজের অধ্যক্সার চেয়ারে বসতে পারেন বৈশাখী।