বিজেপির নিন্দা করে মমতা-সরকারের প্রতি সহানুভূতি যশবন্ত সিনহার, পাল্টা প্রশ্নে বিঁধলেন বাবুল
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিন দিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের প্রতি সহানুভূতি জানিয়েছিলেন বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা। তিনি বলেছিলেন, “কেন্দ্রের সরকার, বিজেপি এবং রাজ্যপাল যে ভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরক
শেষ আপডেট: 1 May 2020 16:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তিন দিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের প্রতি সহানুভূতি জানিয়েছিলেন বিক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা। তিনি বলেছিলেন, “কেন্দ্রের সরকার, বিজেপি এবং রাজ্যপাল যে ভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে নিশানা করছে তা নিন্দনীয়”। শুক্রবার তাঁর উদ্দেশে পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়লেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়।
যশবন্তকে মেনশন করে টুইটে বাবুল বলেন, “আপনি যাঁদের বিরুদ্ধে লিখছেন তাঁদের ব্যাপারে আপনার ব্যক্তিগত রাগ রয়েছে মানছি। কিন্তু আপনি বাংলায় এসে একবার অন্তত দেখে যান বাস্তবে এখানে পরিস্থিতি কী? রাজি থাকলে আমি আপনাকে ঘুরিয়ে দেখাব”।
https://twitter.com/SuPriyoBabul/status/1256142945847107584
বিজেপি-র সর্বভারতীয় নেতৃত্বে নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ উঠে আসার পর থেকেই দলের মূলস্রোত থেকে ক্রমশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যান যশবন্ত সিনহা। তাঁর ছেলে জয়ন্ত সিনহা মোদী সরকারের প্রথম মেয়াদে মন্ত্রী ছিলেন ঠিকই। কিন্তু তখনও বিক্ষুব্ধ রাজনীতি চালিয়ে গিয়েছেন যশবন্ত। বিজেপির বিরুদ্ধে যাঁরা মুখ খুলেছেন, তাঁদের সঙ্গে থেকেছেন তিনি।
টুইট করে যশবন্ত এও লিখেছেন, এই সংকটের সময়ে যেভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে নিশানা করা হচ্ছে তা রাজনীতি ছাড়া আর কিছু না।
এরই জবাব মুখ খুলেছেন বাবুল। তিনি বলেন, বাংলার বিজেপি কর্মীদের উপর আপনার বন্ধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা যখন প্রায় আক্রমণ করে, তখন তো কই আপনাকে কোনও কথা বলতে শুনি না। অথচ আপনি যে এখানে পৌঁছেছেন তাতে বিজেপি-র সমস্ত কর্মীরই অবদান রয়েছে।
পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, বিজেপির বাংলার নেতারা আজ যেটার মুখোমুখি হচ্ছেন অতীতে সেই একই সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন রাজ্যের কংগ্রেস নেতারা। কারণ, কংগ্রেস বা বিজেপির দিল্লির নেতাদের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনীতিতে সৌজন্য ও বন্ধু সম্পর্ক রেখে চলেন। দিল্লির অনেক নেতাই তাতে বিগলিত। বাংলায় দলের কর্মীদের উপর যে কী অত্যাচার হচ্ছে সে ব্যাপারে তাঁরা পরোয়া করেন না বা খোঁজও রাখেন না। কপিল সিব্বল, অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি, আহমেদ পটেলের মতো কংগ্রেস নেতাদের উপর সেই কারণে বাংলার বহু কংগ্রেস কর্মী বরাবরই চটে থাকেন। আর যশবন্ত সিনহার তো এখন উদ্দেশ্যই হল বিজেপি বিরোধী শক্তিকে হাওয়া দেওয়া। সে কাজটাই নিষ্ঠার সঙ্গে করছেন উনি।