দ্য ওয়াল ব্যুরো: লকডাউনের মধ্যে বিশেষ ভাবে দরিদ্রের পাশে দাঁড়াতে একগুচ্ছ প্রকল্প ঘোষণা করেছে সরকার কিন্তু তার মধ্যেও কার্যত অনাহারে দিন কাটছে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট পুরসভার ছ’নম্বর ওয়ার্ডের দাস পাড়ার বহু পরিবারের। একসঙ্গে ৬৬টি পরিবার এই অবস্থার শিকার হওয়ায় প্রশ্নের মুখে ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। কেন তাঁরা ত্রাণ পাননি এ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন এলাকার লোকজন।
দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা মতো ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত তা চলবে। তারপরে আংশিক লকডাউন চলার ইঙ্গিত দিয়ে রাখা হয়েছে। এই অবস্থায় দরিদ্রদের জন্য সরকার বিভিন্ন প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। তাতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন তাঁরা। বহু জায়গায় নানা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন দাঁড়িয়েছে অসহায়দের পাশে। অনেকে ত্রাণ দিচ্ছেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে।
ইছামতী ব্রিজের নীচে বসিরহাট পুরসভার ছ’নম্বর ওয়ার্ডের ছেষট্টিটি পরিবারের ১৩৫ জন অবশ্য এই সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত বলে অভিযোগ। এই পরিবারগুলি এলাকার রেশন দোকানে গেলে তাঁদের সরাসরি ফেরানো হচ্ছে না ঠিকই তবে আপৎকালীন পরিস্থিতিতে সরকারের ঘোষণা মতো যে সুবিধা তাঁদের পাওয়ার কথা তা তাঁরা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা মতো এখন তাঁদের বিনামূল্যে রেশন পাওয়ার কথা।
এলাকার বাসিন্দা মঙ্গল দাস এদিন বলেন, “আমাদের সাত জনের পরিবার। এক মাসের জন্য মাথাপিছু ২ কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে। তাতে কি আমাদের চলে? আমাদের উপযুক্ত পরিমাণে চাল0 দেওয়া হোক। কোনও কেউ আমাদের সমস্যা শুনতে আসছেন না।”
পুরসভার ছ’নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রঞ্জিতা মৃধার সঙ্গে এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে তিনি সামনে আসতে চাননি। পঞ্চায়েত এলাকাগুলিতেও যেখানে সদস্যদের পাশে পাচ্ছেন এলাকার মানুষ সেখানে বসিরহাটে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের কেন দেখা নেই তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন ভুক্তভোগীরা।
সমস্যা এখনই না মিটলে লকডাউনের মধ্যেই আন্দোলন শুরু করবেন বলে হুমকি দিয়েছেন ভুক্তভোগগীরা। তাঁদের পাশে রয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।