
শেষ আপডেট: 10 June 2020 06:53
কুলিক পাখিরালয়[/caption]
এখন জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ চলছে। এর মধ্যেই যথেষ্ট সংখ্যায় তারা এসে ভিড় করেছে। সংখ্যাটা বেশ চোখে পড়ার মতো। অনেকেই মনে করছেন লকডাউনের জন্য পরিবেশে যে দ্রুত পরিবর্তন ঘটেছে তার ফলেই এত পরিযায়ী পাখি এখানে ভিড় জমিয়েছে। আরও একটা কারণের কথা উল্লেখ করেছেন পরিবেশবিদরা – তাঁদের মতে প্রাকবর্ষায় বৃষ্টির পরিমাণ বেড়ে যাওয়াও এদের আগে চলে আসার একটি কারণ। বৃষ্টির ফলে তাদের খাবারের জোগান যেমন বাড়ছে তেমনি পরিবেশও অনেকটা ঠান্ডা হয়েছে।
রায়গঞ্জের ডিএফও সোমনাথ সরকার বলেন, “এবার প্রায় তিন সপ্তাহ আগেই পাখি চলে এসেছে। এবছর এপ্রিল মাসে যে গরম থাকার কথা সেই গরম ছিল না। প্রাকবর্ষায় বৃষ্টি ভাল হয়েছে। পরিবেশ তুলনায় ঠান্ডা আছে। লকডাউনের ফলে পরিবেশ দূষণ অনেক কমেছে। পরিবেশে অনেকগুলো পরিবর্তন হয়েছে। সব মিলিয়ে পাখিরা এবছর এত আগে চলে এসেছে।”
[caption id="attachment_228513" align="aligncenter" width="631"]
কুলিক পাখিরালয়[/caption]
আগে কি কখনও এমন ঘটেছিল? উত্তরে তিনি বলেন, “এত আগে শামুকখোল চলে আসার কোনও রেকর্ড নেই। এক সপ্তাহ আগে আসার রেকর্ড ছিল কিন্তু এবছর তিন থেকে চার সপ্তাহ আগে পরিযায়ী পাখিরা চলে এসেছে।” পাখিরা চলে এলেও এখনই পক্ষীনিবাস জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ডিএফও। লকডাউনের জন্যই পাখিরালয় বন্ধ রয়েছে। সরকারি নির্দেশিকা এলে তারপরে পাখিরালয় খোলা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
উপরের আর নীচের চঞ্চুর মাঝে বেশ খানিকটা ফাঁক থাকে বলে সহজেই চিনে ফেলা যায় শামুকখোল। এই পাখি এশিয়া মহাদেশের বিভিন্ন জায়গায় দেখা গেলেও সবচেয়ে বেশি দেখা যায় ভারতীয় উপমহাদেশে। সাধারণত এক জায়গায় যতক্ষণ খাবারের জোগান শেষ না হচ্ছে ততক্ষণ এরা সেখানে দল বেঁধে থাকে। এরা সাধারণত শীতের আগেই কুলিক ছেড়ে চলে যায়।