সুগার রোগীদের ইনসুলিন নেওয়ার ভাবনা কমাতে যন্ত্র বানালেন আসানসোলের গবেষক ছাত্র
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ব্লাড সুগারে যাঁরা ভুগছেন তাঁদের কথা ভেবে পোর্টেবল কুলার বানালেন আসানসোল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অ্যাপ্লায়েড ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড ইনস্ট্রুমেন্টাল বিভাগের ছাত্র বিকাশ মণ্ডল। এই যন্ত্রে বারো ঘণ্টা পর্যন্ত নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রেখে
শেষ আপডেট: 5 March 2020 09:19
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ব্লাড সুগারে যাঁরা ভুগছেন তাঁদের কথা ভেবে পোর্টেবল কুলার বানালেন আসানসোল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অ্যাপ্লায়েড ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড ইনস্ট্রুমেন্টাল বিভাগের ছাত্র বিকাশ মণ্ডল। এই যন্ত্রে বারো ঘণ্টা পর্যন্ত নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রেখে দেওয়া যাবে ইঞ্জেকশন।
ব্লাডসুগারের রোগীদের অনেককেই নিয়মিত ভাবে ইনসুলিন ইঞ্জেকশন নিতে হয়। তাঁদের সমস্যা হয় কোথাও যাতায়াত করতে হলে, বিশেষ করে গরমের দিনে কারণ ইনসুলিন রাখতে হয় নির্দিষ্ট তাপমাত্রায়। সেকথা ভেবেই এমন একটি পোর্টেবল কুলার তৈরির কথা ভাবা হয় আসাসোল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে। সেই ভাবনাই সম্প্রতি বাস্তবায়িত করেছেন বিকাশ মণ্ডল।
[caption id="attachment_192939" align="aligncenter" width="960"]

বিকাশ মণ্ডলের তৈরি যন্ত্র[/caption]
বিকাশ জানান, তাঁর তৈরি যন্ত্রটি খুবই হালকা এবং সহজে বহন করা যায়। এই যন্ত্রে রিচার্জেবল ব্যাটারি লাগানো আছে, একবার চার্জ দিলে দশ থেকে বারো ঘণ্টা চার্জ থাকে। অর্থাৎ মোটামুটি ভাবে দিনের অর্ধেক সময় নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রাখা যাবে ওই ইঞ্জেকশন। এই যন্ত্রে একটি ইলেকট্রনিক ডিসপ্লে লাগানো হয়েছে যেখানে দেখা যাবে ব্যাটারিতে কতটা চার্জ আছে এবং যেখানে ওষুধ রাখা হয়েছে সেখানের তাপমাত্রা কত। অ্যালার্মের ব্যবস্থাও রয়েছে যাতে ইঞ্জেকশন নেওয়ার কথা ভুলে না যান ওই কুলার ব্যবহারকারী। এসএমএম-ও সেট করে রাখা যায়, নির্দিষ্ট সময় ব্যবহারকারীর মোবাইলফোনে এসএমএস ঢুকে যাবে, মনে করিয়ে দেওয়া হবে ইঞ্জেকশন দেওয়ার সময়।
কলেজের অধ্যাপক পার্থপ্রতিম ভট্টাচার্য বলেন, “প্রায় তিন মাসের প্রচেষ্টায় আমাদের কলেজের একজন কৃতী ছাত্র ইনসুলিন কুলার যন্ত্রটা তৈরি করেছেন। এই যন্ত্রটির পেটেন্টের জন্য কর্তৃপক্ষ আবেদন করবেন। আগামী দিনে কুলার যন্ত্রটি বাণিজ্যিক ভাবে উৎপাদনের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।