দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার আট ঘণ্টা তাঁকে জেরা করেছিলেন সিবিয়াইয়ের গোয়েন্দারা। ডেকেছিলেন বৃহস্পতিবারও। এ দিনও সময় মতো সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছে গিয়েছেন চিটফাণ্ড তদন্তে গঠিত স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিমের অন্যতম সদস্য তথা প্রাক্তন বিধাননগর কমিশনারেটের গোয়েন্দা প্রধান অর্ণব ঘোষ। সকাল সাড়ে দশটা থেকে জেরা শুরু হয়েছে তাঁর। দুপুর একটা পর্যন্ত খবর, জেরা চালিয়ে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।
অন্য দিকে অর্ণবের যখন জেরা চলছে সিজিও কমপ্লেক্সের ভিতর, তখন দু’ট্রাঙ্ক নথি সিজিও-তে পৌঁছে দিল পুলিশ। মনে করা হচ্ছে সারদা-সহ চিটফান্ড মামলার নথিই পৌঁছেছে।
এর আগেও অর্ণবকে জেরার জন্য ডেকেছিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। কিন্তু এড়িয়ে গিয়েছিলেন তিনি। চিটফান্ড মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত তথা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ কুণাল ঘোষ এর আগে একাধিকবার বলেছেন, অর্ণব ঘোষকে জেরা করুক সিবিআই। কুণালের দাবি, যে থানায় তাঁর বিরুদ্ধে কোনও মামলা ছিল না, সেই থানা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছিলেন অর্ণব। এবং সবটাই প্রতিহংসা চরিতার্থ করতে।
চিটফাণ্ড তদন্তে রাজ্য সরকারের গঠন করা স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিমের অন্যতম সদস্য ছিলেন অর্ণব। রাজীব কুমারের রক্ষাকবচের মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার পর তাঁকে যেমন নটিস দেওয়া শুরু করেছে সিবিআই, একই ভাবে অন্য পুলিশ কর্তাদেরও জেরা করছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। সুদীপ্ত সেনের লাল ডায়েরি, ল্যাপটপ, পেন ড্রাইভ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রমাণের হদিশ পেতেই এখন মরিয়া সিবিআই। মঙ্গলবার সিবিআই জেরা করেছিল সিট-এর আর এক সদস্য প্রভাকর নাথকে। প্রভাকর সেই সময়ে ছিলেন ইলেক্ট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানার দায়িত্বে। এখন তিনি নিউটাউন থানার ওসি। এখন দেখার বৃহস্পতিবার অর্ণবকে কতক্ষণ জেরা করেন গোয়েন্দারা। পরবর্তী পদক্ষেপই বা কী নেন।