দ্য ওয়াল ব্যুরো : শুক্রবার সকালেই ওড়িশা উপকূলে আছড়ে পড়েছিল ঘূর্ণিঝড় ফণী। বেলা বাড়তেই তা এগিয়ে আসে পশ্চিমবঙ্গের দিকে। বিকেলের পরেই মেদিনীপুর দিয়ে তা প্রবেশ করেছে এ রাজ্যে। ফণীর প্রভাবে দুই মেদিনীপুরে শুরু হয় প্রবল ঝড়-বৃষ্টি। ঝড়ের দাপটে অনেক কাঁচা বাড়ি ভেঙে পড়েছে। উপড়ে গিয়েছে অনেক গাছ। এই পরিস্থিতিতে কাঁথি, রামনগর, হলদিয়া, দিঘা প্রভৃতি অঞ্চলের প্রায় ১ লক্ষ মানুষকে উদ্ধার করে রাখা হয়েছে ত্রাণশিবিরে। আর এই পুরোটাই তদারক করেছেন পূর্ব মেদিনীপুরের তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের পরিবেশ ও পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
ফণীর দাপটে বিকেল থেকে হালকা ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলেও রাত্রি ১০টা ১৫ থেকে ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়েছে দুই মেদিনীপুর জুড়ে। রাত বাড়লে ঝড়ের গতিবেগ একটু কমলেও এখনও হচ্ছে প্রবল বৃষ্টি। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস এখনও বহুক্ষণ চলবে এই দুর্যোগ। এই ঝড়ের দাপটে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন অনেক মানুষ। নষ্ট হয়ে গিয়েছে বিঘের পর বিঘে পানের বরজ। মৎস্যজীবী সহ বহু দুর্গত মানুষকে বিভিন্ন স্কুলে ত্রাণশিবির করে রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য রয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা দল।
ফণীর পূর্বাভাস পাওয়ার পরে বৃহস্পতিবার থেকেই তোড়জোড় চলছিল। শুক্রবার সকালে দিঘার সব হোটেলকে খালি করে পরিবহণ দফতরের বিশেষ বাসে করে ৬০০ পর্যটককে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এ ছাড়াও এখনও সেখানে রাখা আছে আরও ৫০টি বাস। দরকার পড়লে যাতে মানুষকে নিয়ে আসা যায়, তার জন্য এই ব্যবস্থা।
প্রায় ৩০ হাজার মানুষকে আগেই সরিয়ে আনা হয়েছিল বিভিন্ন ত্রাণশিবিরে। আগে থেকে প্রস্তুতি থাকায় কোনও প্রাণহানি ঘটেনি। কিন্তু যত সময় এগিয়েছে, ত্রাণশিবিরে দুর্গতদের সংখ্যা বেড়েছে। জানা গিয়েছে, সবরকম পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে প্রশাসন।
আরও পড়ুন
https://www.four.suk.1wp.in/news-kolkata-youth-of-city-spread-message-to-help-people-if-needed-during-fani-through-social-media/