
শেষ আপডেট: 22 June 2020 09:25
পঞ্চায়েত অফিসে বিক্ষোভ।[/caption]
পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকে বিক্ষোভকারীরা দেখেন, এর আগে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের সময় ক্ষতিগ্রস্তদের বিতরণের জন্য যে সব কিট দেওয়া হয়েছিল সেগুলি পড়ে রয়েছে পঞ্চায়েত অফিসের ভিতরে। তখনও বিলি করা হয়নি। তা দেখে প্রচণ্ড ক্ষেপে ওঠেন বিক্ষোভকারীরা। শুরু হয় নির্বিচারে ভাঙচুর। ধস্তাধস্তিও হয় পঞ্চায়েত অফিসের বাইরে।
উত্তেজিত জনতাকে সেখান থেকে সরাতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এর ফলে পুলিশের লাঠিতে আহত হয়েছেন বেশ কয়েক জন গ্রামবাসী। পঞ্চায়েত অফিস থেকে জানানো হয়েছে এই ঘটনায় আহত হয়েছেন পঞ্চায়েতপ্রধান শোভা মাইতি।
[caption id="attachment_232181" align="aligncenter" width="697"]
পঞ্চায়েত অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় জনতা।[/caption]
পঞ্চায়েত অফিস থেকে উত্তেজিত জনতাকে সরিয়ে দেওয়ার পরে তাঁরা ছুটে যান পঞ্চায়েতের সদস্য পশুপতি আড়ির বাড়িতে। পঞ্চায়েত অফিসের কাছাকাছি ৩৯ নম্বর বুথ এলাকায় তাঁর বাড়ি। তাঁর বাড়ির বাইরে থাকা গাড়িতে জনতা আগুন ধরিয়ে দেয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফের লাঠি চার্জ করে পুলিশ। এলাকায় এখনও উত্তেজনা রয়েছে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।
[caption id="attachment_232182" align="aligncenter" width="693"]
এলাকায় মোতায়েন বিশাল পুলিশবাহিনী।[/caption]
উমফানের ত্রাণবিলি নিয়ে ওঠা অভিযোগ মানতে চাননি পঞ্চায়েত প্রধান শোভা মাইতি। তিনি বলেন, “উমফানে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে পাঠানো হয়েছে। সরকারি ভাবে টাকা এলে তাঁদের অ্যাকাউন্টে তা ঢুকে যাবে। তা ছাড়াও প্রত্যেককে ত্রিপল ও অন্য সুযোগসুবিধা দেওয়া হয়েছে। জানি না কী কারণে জনতা এই বিক্ষোভ দেখিয়েছে। ভাঙচুর করার ফলে পঞ্চায়েতের প্রচুর টাকার জিনিসপত্র নষ্ট হয়েছে।”
লাঠিচার্জের অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। তারা জানিয়েছে, বিক্ষোভরত মানুষকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।