দ্য ওয়াল ব্যুরো, আলিপুরদুয়ার: ভুটানে করোনাভাইরাস আক্রান্ত মার্কিন নাগরিকের সঙ্গে একই বিমানে ওঠায় ও তাঁর সংস্পর্শে আসায় আরও এক ব্যাক্তিকে ফালাকাটা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করল জেলা স্বাস্থ্য দফতর। শনিবার রাতেই তাঁকে আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে জেলায় করোনা ভাইরাসের জন্য নোডাল হাসপাতাল ফালাকাটা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। তবে দু’জনের কারও শরীরেই এখনও করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কোনও লক্ষণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য দফতর।
আলিপুরদুয়ার জেলা স্বাস্থ্য দফতরের ডেপুটি সিএমওএইচ (২) সুবর্ণ গোস্বামী বলেন, “ফালাকাটা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা দু’জনের কারও শরীরেই করোনা আক্রমণের লক্ষণ নেই, আমরা শুধু পর্যবেক্ষণে রেখেছি। শনিবার থেকেই ভুটান সীমান্তে স্ক্রিনিং ক্যাম্প চলছে।”
জানা গেছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ব্যবস্থা নিয়েছে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলের আলিপুরদুয়ার ডিভিশন। ট্রেনে ট্রেনে সচেতনতামূলক পোস্টার বিলি করা হচ্ছে, রেলের কর্মচারীদের হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিলি করা হচ্ছে। এছাড়াও বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ করা হয়েছে যেমন রেলের কর্মীরা মাস্ক পরে কাজ করছেন। রেলের আলিপুরদুয়ার ডিভিশনের পক্ষ থেকে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। আধিকারিকদের নম্বরও দেওয়া হয়েছে।
আলিপুরদুয়ার জংশনের রেল হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা পরিষেবা চালু করা হয়েছে। তবে আলিপুরদুয়ার জেলা স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে মুখে মাস্ক পড়তে নিষেধ করা হচ্ছে।
আলিপুরদুয়ার জেলা স্বাস্থ্য দফতরের ডেপুটি সিএমওএইচ (২) সুবর্ন গোস্বামী বলেন, “করোনাভাইরাস বাতাসে ভেসে বেড়াতে পারে না কিন্তু হাঁচি ও কাশির সঙ্গে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। মাস্ক পড়লে বরং মাস্ক ঠিক করতে গিয়ে বার বার হাত মুখে চলে যেতে পারে। অন্য যে সতর্কতামূলক ব্যাবস্থা নেওয়ার কথা বলেছি সেগুলো কম গুরুত্ব পাবে। সেই কারণে মাস্ক পরে ঘুরে বেড়ানোর দরকার নেই।”