দ্য ওয়াল ব্যুরো: দক্ষিণ বঙ্গের কাঁচরাপাড়া, হালিশহর, হরিণঘাটার মতো কি তৃণমূল ওয়াপসি শুরু হয়ে গেল উত্তরবঙ্গেও?
শনিবার দুপুরে বালুরঘাট পুরসভার হলে বিজেপি-তে যাওয়া তিন জেলা পরিষদ সদস্যকে তৃণমূলের পতাকা হাতে ধরিয়ে দক্ষিণ দিনাজপুরের তৃণমূল জেলা সভাপতি তথা নাট্যকর্মী অর্পিতা ঘোষ দাবি করলেন, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদ রইল শাসক দলের হাতেই।
সপ্তাহ দুয়েক আগেই দিল্লিতে গিয়ে বিজেপি-তে যোগ দিয়েছিলেন দক্ষিণ দিনাজপুরের প্রাক্তন তৃণমূল জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্র। সঙ্গে গিয়েছিলেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের ১০ জন সদস্য। ১৮ সদস্যের জেলা পরিষদের ১০ গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার পর মুকুল রায় বলেছিলেন, বাংলার রাজনীতিতে ভূমিকম্প হয়ে গেল। কারণ পঞ্চায়েতের সর্বোচ্চ স্তরের দখল নিল বিজেপি।
কিন্তু ১৫ দিন যেতে না যেতেই ছবিটা বদলে গেল। ১৮ জনের মধ্যে ১০ জন বিজেপি-তে গেলেও ৮ জন ছিলেন তৃণমূলেই। এ দিন হিলির গৌরী মালি, কুমারগঞ্জের ইরা রায় এবং হরিরামপুরের পঞ্চানন বর্মনকে তৃণমূলের ঝাণ্ডা ধরেন অর্পিতা। তারপর দাবি করেন, এখন তৃণমূলের ১১। সুতরাং জেলাপরিষদের দখল রইল তাঁদেরই।
কয়েক দিন আগেই জেলা পরিষদ ভবনে গিয়ে বসেছিলেন সভাধিপতি লিপিকা রায়। সঙ্গে ছিলেন আরও চার সদস্য। অর্থাৎ বিজেপি-তে যোগ দেওয়া ১০ জনের মধ্যে জেলাপরিষদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ৫ জন। সে দিনই প্রশ্ন উঠেছিল, কোথায় গেলেন বাকি পাঁচ? এ দিন দেখা গেল তিনজন তৃণমূলে ফিরে এসেছেন। শাসকদলের দাবি, আরও একজন যোগাযোগ রাখছেন।
যদিও বিজেপি-র জেলা সভাপতি শুভেন্দু সরকার বলেন, “ভয় দেখিয়ে ওই জেলা পরিষদ সদস্যদের তৃণমূলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। হিলির জেলা পরিষদ সদস্য গৌরী মালির বাড়িতে দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে তৃণমূল।”