বাংলায় আরও ১৮ জন করোনা পজিটিভ গত ২৪ ঘণ্টায়, একদিনে সবথেকে বেশি বৃদ্ধি : স্বাস্থ্য মন্ত্রক
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত ২৪ ঘন্টায় পশ্চিমবঙ্গে আরও ১৮ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানাল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। গতকাল অর্থাৎ রবিবার সকালের বুলেটিনে স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছিল, তখনও পর্যন্ত বাংলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩৪ জন।
শেষ আপডেট: 13 April 2020 05:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত ২৪ ঘন্টায় পশ্চিমবঙ্গে আরও ১৮ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানাল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। গতকাল অর্থাৎ রবিবার সকালের বুলেটিনে স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছিল, তখনও পর্যন্ত বাংলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩৪ জন। সোমবার সকালের বুলেটিনে দেখা গেল তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫২। একদিনের মধ্যে করোনা পজিটিভের সংখ্যার বৃদ্ধি বাংলায় এর আগে হয়নি।
স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সর্বশেষ ওই বুলেটিনে আরও বলা হয়েছে, যে এখনও পর্যন্ত ২৯ জন করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে পশ্চিমবঙ্গে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের।
স্বাস্থ্য মন্ত্রকের এই বুলেটিন তাৎপর্যপূর্ণ। এবং পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, এও বোঝা যাচ্ছে যে পশ্চিমবঙ্গে এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তা নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রক ও নবান্নের দেওয়া পরিসংখ্যানের মধ্যে ফারাক রয়েছে। তাকে ধন্ধও বলা যেতে পারে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে অ্যাকটিভ পজিটিভের সংখ্যা ১১৬ হওয়া উচিত। কিন্তু গতকাল সন্ধ্যায় রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর যে বুলেটিন প্রকাশ করেছিল তাতে বলা হয়েছিল, তখনও পর্যন্ত বাংলায় অ্যাকটিভ পজিটিভের সংখ্যা ৯৫।

বিরোধী শিবিরের বিশেষ করে বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ও কোভিডে মৃত্যুর ঘটনা গোপন করা হচ্ছে। যা রাজ্যকে আরও বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কারণ, অনেকে ধরেই নিচ্ছেন যে বাংলায় করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর ভয় বিশেষ নেই। তাই বিক্ষিপ্ত ভাবে বহু লোক লকডাউন ভেঙে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছেন।
কিন্তু এ ব্যাপারে শনিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, এ সব হল মিথ্যা প্রচার। তিনি বলেছিলেন, অনেক ফেক নিউজ হচ্ছে। এবং এ ব্যাপারটা তিনি প্রধানমন্ত্রীকেও জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “ওষুধে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রোগীরা সাড়া দিচ্ছেন। কিছু ক্ষেত্রে রেকারিং প্রবলেম নিয়ে আসছেন। তাঁদের হয়তো নিউমোনিয়া রয়েছে, ব্রঙ্কো নিউমোনিয়া রয়েছে বা অন্য কোনও কঠিন অসুখ রয়েছে। কারও বা মৃত্যুর সময়ে কিংবা মৃত্যুর পর করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসছে। আমরা সেগুলোকে অডিট কমিটির কাছে পাঠাচ্ছি। সেই কমিটি রিপোর্ট দেওয়ার পরই আমরা মৃতের সংখ্যা বলছি।” মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেছিলেন, “দুটো-একটা নম্বর (পড়ুন মৃতের সংখ্যা) বাড়লে বা কমলে কী যাবে আসবে! কিন্তু রাজ্য সরকার তথ্য গোপন করছে না।”