দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাওড়ার বালিতে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির সংঘর্ষের ঘটনায় দুপক্ষের দশজন কর্মী-সমর্থককে গ্রেফতার করল বালি থানার পুলিশ। শুক্রবার তাদের আদালতে পেশ করা হয়। দু’পক্ষের একজন করে সমর্থকের তিন দিনের পুলিশ হেফাজত হয়েছে। বাকিদের চারদিনের জেল হেফাজত হয়েছে।
দুই রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে বৃহস্পতিবার রাতে চার জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। ধৃতের বিরুদ্ধে পুলিশ খুনের চেষ্টার মামলা শুরু করেছে।
এই সংঘর্ষের জন্য বিজেপির দিকে তৃণমূল কংগ্রেস আঙুল তুলেছে। তবে বিজেপির বক্তব্য, দলবল নিয়ে এসে হামলা করেছে তৃণমূল কংগ্রেসই। একটি পারিবারিক বিবাদে তৃণমূল রাজনৈতিক রং লাগাচ্ছে বলে অভিযোগ বিজেপির। আহত চার জনের মধ্যে দুই বিজেপি কর্মীর আঘাত গুরুতর। তাঁদের মধ্যে একজনের মাথায় আঘাত লেগেছে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় পুলিশ ও র্যাফ মোতায়েন করা হয়। সোমবার রাত এগারোটা নাগাদ দু’পক্ষের জনা পঞ্চাশ কর্মী-সমর্থক বালি থানার সামনে বিক্ষোভ শুরু করে। পুলিশের সামনে দু’পক্ষের মধ্যে বচসা বেধে যায়। শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ করে র্যাফ। আটক করা হয় কুড়ি জনকে। পরে দশ জনকে গ্রেফতার করা হয়। দু’পক্ষই বালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।
তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরা এলাকায় মদের আসর বসায়। প্রতিবাদ করতে গেলে উল্টে তাদের কর্মীর উপরে হামলা চালানো হয়। তৃণমূলকর্মী জয়ন্ত সরকার বলেন, “এটা পারিবারিক ঘটনা। এক ভাই বিজেপি করে। সে মদ্যপান করতে গেলে অন্যজন প্রতিবাদ করে। ওরা চাইছে এলাকায় বিজেপির মাধ্যমে সব হবে। অন্য কোনও দল থাকবে না। ওরা মিথ্যা অভিযোগ করেছে।”
বিজেপির বালি মণ্ডলের সভাপতি রাধারঞ্জন গোস্বামী বলেন, “বিজেপি করে বলে আমাদের দু’জন কর্মীর উপরে অত্যাচার করছে তৃণমূল কংগ্রেস। ওখানে আমাদের তিন দিক থেকে ঘিরে ফেলে লাঠি চালাতে শুরু করে। আমাদের বেধড়ক মারধর করে। পুলিশের সামনেও আমাদের মারধর করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।”