দ্য ওয়াল ব্যুরো: গতকাল মধ্যরাতে আমি থেকে 'আমরা' হয়েছেন শোভন-বৈশাখী। বদলে গেছে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফেসবুক প্রোফাইলের নাম। সেই 'বৈশাখী শোভন ব্যানার্জীর' ডেরায় এবার গেল আইনি নোটিস। সৌজন্যে রত্না চট্টোপাধ্যায়।
শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে স্ত্রী রত্নার এখনও আইনি বিচ্ছেদ হয়নি। কিন্তু ২০১৭ সালে বেহালার বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন শোভন বাবু। তারপর থেকে গোলপার্কের ফ্ল্যাটেই হয়েছে তাঁর নতুন ঠিকানা। সেখানে শোভনের সঙ্গে থাকেন তাঁর বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ও। ১৩৫, মেঘনাদ সাহা সরণির বহুতলে একপ্রকার 'সংসার' পেতে ফেলেছেন তাঁরা। সূত্রের খবর, বাংলা রাজনীতিতে বহু চর্চিত এই জুটির হাতে আইনি নোটিস ধরিয়েছেন রত্না চট্টোপাধ্যায়ের পরিবার।
বলা হয়েছে অবিলম্বে ওই ফ্ল্যাট খালি করে দিতে হবে শোভন বাবুকে। তা না হলে আইনি পদক্ষেপ নেবেন তাঁরা। কারণ গোলপার্কের ওই ফ্ল্যাটের মালিক আসলে রত্না চট্টোপাধ্যায়ের দাদা দেবাশিস দাস। তিনি বছর কয়েক আগে মারা গিয়েছেন। বাপের বাড়ির ফ্ল্যাট 'দখল' করার অভিযোগ আগেও তুলেছিলেন রত্না। ফেসবুক প্রোফাইলের নামের জেরেই কি তড়িঘড়ি এই উচ্ছেদ নোটিস? তেমনটাই মনে করছে নানা মহল।
এদিন রত্না চট্টোপাধ্যায়ের বাবা দুলাল দাস এবং ভাই শুভাশিস দাসের তরফে শোভনের কাছে নোটিস গিয়েছে বলে খবর।
তবে এখানেই শেষ নয়, রত্না চট্টোপাধ্যায়ের পরিবারের কাছ থেকে নোটিস পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পাল্টা পদক্ষেপ করেছেন শোভন। তিনি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের স্থাবর অস্থাবর সমস্ত সম্পত্তি দান করে দিয়েছেন তিনি। রীতিমতো উইল করে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি লিখে দিয়েছেন।
বেহালার যে বাড়িতে রত্না এখন থাকছেন, তা যে আদতে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি, সেটাও এদিন স্ত্রীকে মনে করিয়ে দিতে ভুলে যাননি শোভন বাবু। বলেছেন, 'ও দীর্ঘ দিন ধরে আমার বাড়িতে থাকছে, আমি তো কিছু বলিনি। আমি কোনও বেআইনি বসবাস করছি না। আইনি পদ্ধতিতেই এর জবাব দেব।'