দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'সবকা সাথ সবকা বিকাশ' স্লোগানকেই আক্রমণ করলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা ডোমজুড়ের বিধায়ক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জঙ্গিপুরে ভোটের প্রচারে গিয়ে বলেন, "মুখে 'সবকা সাথ সবকা বিকাশ' বললেও বিজেপির আমলে শুধু বিজেপির বিকাশ আর সকলের সর্বনাশ হয়েছে।"
লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে প্রচারের পরে মুর্শিদাবাদের প্রচারেও বড় ভূমিকা নিলেন ডোমজুড়ের বিধায়ক। এর আগে উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের প্রচারে বড় ভরসা হন রাজীব। ফালাকাটার বিধায়ক তথা ব্লক সভাপতি অনিল অধিকারী ভোটের মুখে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে তৃণমূলনেত্রী তড়িঘড়ি রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে সেই দায়িত্ব নিতে বলেন। ডুয়ার্সের ফালাকাটা ব্লকের তাঁকে দায়িত্ব নিতে বলেন মমতা। ফালাকাটার তৃণমূলকর্মীদের বক্তব্য, হঠাৎ স্থানীয় বিধায়ক অসুস্থ হয়ে পড়ায় সপ্তাহ খানেক তৃণমূলের নির্বাচনী প্রচার কিছুটা হলেও থমকে যায়। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় যাওয়ার পরে আশার আলো দেখতে পান তাঁরা।
এখানেই শেষ নয়। এর পরে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে ভোট প্রচারের সভায় বড় ভূমিকা নিতে দেখা যায় তাঁকে। দক্ষিণ দিনাজপুরে প্রচার শেষ করেই রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তর দিনাজপুরে চলে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে।সেখানে ইটাহারের সভায় নেত্রীর সঙ্গেই নির্বাচনী প্রচার সারেন তিনি।
এখানেই শেষ নয়। উত্তরবঙ্গের একটি বড় অংশে ভোট প্রচারের দায়িত্ব সারার পরে দক্ষিণ বঙ্গেও প্রচারে এই কেন্দ্র থেকে ওই কেন্দ্রে ঘুরছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। এ দিন মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে সভা করেন তিনি। বিজেপিকে আক্রমণ করার পাশাপাশি এই রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উন্নয়নকেই ইস্যু করে প্রচার সরব হন তিনি।
রাজনীতি মহল বলছে, ভোট প্রচারের দায়িত্বে কার্যত গোটা বাংলাতেই ঘুরে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে তৃণমূলের এই মন্ত্রীকে। রাজনৈতিক টালমাটালের আবহে তিনি দলের একটা বড় ভরসার জায়গা বলেও মনে করছেন অনেকেই।