মুর্শিদাবাদে স্ক্রাব টাইফাসে একই দিনে দু’জনের মৃত্যু, বাড়ছে আতঙ্ক
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মুর্শিদাবাদে স্ক্রাব টাইফাসে আরও একজনের মৃত্যু হল। মৃতের নাম শ্যামল প্রামাণিক (৪৬), তাঁর বাড়ি বেলডাঙার কুমারপুর গ্রামে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২৫ নভেম্বর তাঁর প্রথম জ্বর হয়। তারপর থেকে বিভিন্ন জায়গায় ডাক্তার দেখানো হয়
শেষ আপডেট: 5 December 2019 16:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মুর্শিদাবাদে স্ক্রাব টাইফাসে আরও একজনের মৃত্যু হল। মৃতের নাম শ্যামল প্রামাণিক (৪৬), তাঁর বাড়ি বেলডাঙার কুমারপুর গ্রামে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ২৫ নভেম্বর তাঁর প্রথম জ্বর হয়। তারপর থেকে বিভিন্ন জায়গায় ডাক্তার দেখানো হয়। কয়েকদিন আগে তাঁকে বহরমপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে জানতে পারা যায়, তিনি স্ক্রাব টাইফাসে আক্রান্ত। বৃহস্পতিবার তাঁর মৃত্যু হয়।
এর আগে এই স্ক্রাব টাইফাসে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয় এক স্কুলছাত্রীর। মৃত ছাত্রীর নাম তামান্না ফিরদৌস (১৬)। দশম শ্রেনীর ওই ছাত্রীর বাড়ি কান্দি থানার কর্ণসুবর্ণ এলাকায়। তার পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত মঙ্গলবার জ্বর আর পেটে ব্যথা নিয়ে তাকে বহরমপুরের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে তার মৃত্যু হয়। বেসরকারি নার্সিংহোমের তরফ থেকে ডেথ সার্টিফিকেটে স্ক্রাব টাইফাসের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন, ডেঙ্গি এবং স্ক্রাব টাইফাস মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও এমন ঘটনা কী করে ঘটল তা খতিয়ে দেখা হবে।
একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলায় দু’জনের স্ক্রাব টাইফাসে মৃত্যু হওয়ায় জেলার মানুষজন এখন আতঙ্কিত।
বুধবারই জানা গিয়েছিল স্ক্রাব টাইফাসের আতঙ্ক ছড়িয়েছে হুগলির ডানকুনিতে। পুর এলাকায় পোকা কামড়ানোর ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পুরসভার আধিকারিকরাও। পোকাটি দেখে প্রাথমিক ভাবে ট্রমবিকিউড মাইট প্রজাতি বলে অনুমান করা হয়। এই পোকার কামড়ে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশান বা স্ক্রাব টাইফাস হয়।
আক্রান্ত তন্ময় সিমলাই পোকাটি দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা করানোর পর বেলেঘাটা আইডিতে হাসপাতালে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়। আপাতত স্থানীয় এক চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। জ্বর আসছে কিনা বা র্যাশ বেরোচ্ছে কিনা সেটাই এখন দেখার বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
আগে পাহাড়ে চা-বাগান এলাকায় এই পোকার প্রকোপে স্ক্রাব টাইফাস দেখা যেত। তবে এখন সারা রাজ্যেই এই পোকা ছড়িয়ে পড়েছে। বাড়িঘর ও এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হলে এই পোকার উপদ্রবের আশঙ্কা কম হয় বলে স্বাস্থ্যকর্মীরা জানিয়েছেন।